OrdinaryITPostAd

মানসিক চাপ কাকে বলে - মানসিক চাপ কত প্রকার

প্রিয় পাঠক এই পোস্টে আমরা আলোচনা করব মানসিক চাপ কাকে বলে, মানসিক চাপ কত প্রকার সেই সম্পর্কে। অনেকেই আছেন বিভিন্ন কারণে মানসিক চাপে থাকেন কিন্তু মানসিক চাপ কাকে বলে সেটি সম্পর্কে পুরোপুরি অবগত নন তাদের সুবিধার্থে আলোচনা করব মানসিক চাপ কাকে বলে এটি সম্পর্কে। এছাড়াও এই পোস্টে আরো আলোচনা করবো মানসিক চাপ কত প্রকার, মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার উপায়, মানসিক চাপ কমানোর ঔষধ সম্পর্কে।

তাহলে চলুন আর দেরি না করে জেনে নিন, মানসিক চাপ কাকে বলে, মানসিক চাপ কত প্রকার, মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার উপায়, মানসিক চাপ কমানোর ঔষধ ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে।

পোস্ট সূচিপত্রঃ মানসিক চাপ কাকে বলে - মানসিক চাপ কত প্রকার

মানসিক চাপ কাকে বলে?

আমরা এখনই জেনে নেব মানসিক চাপ কাকে বলে সেই সম্পর্কে। মানসিক চাপ কে আমরা ইংরেজিতে স্ট্রেস বলে অভিহিত করি। অনেকেই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের কাজের চাপ এবং স্ট্রেস কে এক করে ফেলেন কিন্তু এই দুটি সম্পূর্ণই আলাদা বিষয়। মানসিক চাপ হচ্ছে কর্মসংক্রান্ত, শারীরিক বা পারিবারিক সমস্যা থেকে সৃষ্ট উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা। 

আরো বিস্তারিত ভাবে আমরা বলতে পারি, আমাদের প্রত্যেকের জীবনে কিছু না কিছু চাহিদা থাকে এসব চাহিদা পূরণ হলে ভালো কিন্তু পরিকল্পনা মত কাজ করার পরে যদি বিভিন্ন ধরনের সমস্যা যেমন কর্মক্ষেত্রে সমস্যা, সম্পর্কে অবনতি, অর্থনৈতিক সংকট, খারাপ স্বাস্থ্য, এমনকি ঘনিষ্ঠ কারো মৃত্যু ইত্যাদি কারণে সৃষ্ট চাপের ফলে মানসিক উদ্বিগ্নতা, দুশ্চিন্তা, বিষণ্নতা ও ক্রোধ বাড়িয়ে তোলে তাকে মানসিক চাপ বলে। 

মানসিক চাপ ইতিবাচক বা নেতিবাচক দুই ভাবেই আমাদের জীবনে দেখা যায়। মানসিক চাপের ফলে অনেকে আরো বেশি কাজ করে এর ফলে তার অনেক সমস্যার সমাধান হয়। আবার মানসিক চাপের নীতিবাচক প্রভাব ও রয়েছে। অনেকেই মানসিক চাপের ফলে উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তায় ভোগেন এর ফলে তার সার্বিক ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে যায়। আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন মানসিক চাপ কাকে বলে।  

মানসিক চাপ কত প্রকার

আমরা এখনই জেনে নেব মানসিক চাপ কত প্রকার সেই সম্পর্কে। মানসিক চাপ বিভিন্ন কারণে হতে পারে এগুলোর মধ্যে কর্মক্ষেত্রে সমস্যা, সম্পর্কে অবনতি, অর্থনৈতিক সংকট, খারাপ স্বাস্থ্য, এমনকি ঘনিষ্ঠ কারো মৃত্যু ইত্যাদি কারণে এসবের প্রভাব পড়ে আমাদের জীবনে। মানসিক চাপ কত প্রকার ও কি কি তা নিচে আলোচনা করা হলো।

আরো পড়ুনঃ রবিউল আউয়াল মাসের ১২ ফজিলত জেনে নিন। 

আমাদের জীবনের সৃষ্ট সংখ্যাগুলোর উপর ভিত্তি করে যদি বলি মানসিক চাপ কত প্রকার তাহলে বলা যায়, চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় মানসিক চাপ কে মূলত তিনভাগে ভাগ করা যায়।   

১। মানসিক চাপ ।

২। শারীরিক চাপ । 

৩। সামাজিক চাপ । 

বিজ্ঞানী Hans Selye স্ট্রেস-কে দুভাগে ভাগ করেছেনঃ 

১। ইউস্ট্রেস (eustress) বা পজিটিভ স্ট্রেস।

২। ডিস্ট্রেস (distress) নেগেটিভ বা কষ্টদায়ক কিছু।

আশা করি আপনারা বুঝতে পেরেছেন মানসিক চাপ কত প্রকার। 

মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার উপায়

আমরা এখন জেনে নেব মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার উপায় সম্পর্কে। মানসিক চাপ বর্তমানে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানসিক চাপ বিভিন্ন কারণে হতে পারে কিন্তু দিন শেষে সেটা আমাদের মনের ওপর চাপ সৃষ্টি করে। মন ভালো থাকার সঙ্গে শরীরের সুস্থতা অনেকাংশে নির্ভরশীল। সেক্ষেত্রে এ চাপ দীর্ঘসময় বয়ে বেড়ালে দেখা দিতে পারে বড় ধরনের রোগ। এমনকি হতে পারে হৃদরোগও। তাই আমাদের সব সময় এমন ভাবে চলা উচিত যেন মানসিক চাপ থেকে রক্ষা পেতে পারি। আপনাদের সাথে বেশকিছু মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার উপায় গুলো আলোচনা করা হলো।  

ধর্মীয় কাজে মনোনিবেশ করুনঃ

প্রত্যেক ধর্মেই ধর্মীয় কিছু বিষয়াদি রয়েছে সেগুলো আমাদের পালন করার নির্দেশনা রয়েছে। আপনি যদি মুসলিম ধর্মের হয়ে থাকেন তাহলে মুসলিম ধর্মে নামাজকে ফরজ করা হয়েছে নামাজ পড়লে মানসিক প্রশান্তি আসে। প্রত্যেক ধর্মের নির্দেশনামূলক ধর্মীয় কাজগুলো করলে মানসিক প্রশান্তি পাওয়া যাবে। আর এভাবেই মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকা যাবে।

মেডিটেশন কিংবা ব্যায়ামঃ 

মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার উপায় গুলোর মধ্যে মেডিটেশন এবং ব্যায়াম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকেই আছেন শরীর অসুস্থতার কারণে মানসিক চাপে থাকেন। মেডিটেশন মানুষের অপ্রয়োজনীয় চিন্তা দূর করতে সাহায্য করে। সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে কোনো খোলা পরিবেশে অথবা বাড়ির ছাদে ছাদে গিয়ে মেডিটেশন বা ব্যায়াম করতে পারেন। মেডিটেশন বা ব্যায়াম করলে সারাদিন মেজাজ ফুরফুরে থাকবে এবং যে কোনো কাজ মন দিয়ে করতে পারবেন। আর হ্যাঁ, নিয়মিত ব্যায়াম করলে শরীরের অনেক অসুখ বিসুখ দূর হবে এবং শরীর সুস্থ থাকার ফলে মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকা যাবে।

আরো পড়ুনঃ ঘুমের দোয়া বাংলায় জেনে নিন। 

ডায়েরি লেখার অভ্যাস করুনঃ 

অনেক সময়ই আমরা অনেকেই মানসিক চাপে থাকি কিন্তু ডায়েরি লিখলে অনেক সময়ই মানসিক চাপ কিছুটা কমে। আমাদের হাতে ডিজিটাল ডিভাইস মোবাইল ও কম্পিউটার থাকার ফলে অনেকেই ডাইরি লেখার অভ্যাস ভুলে গিয়েছেন। কিন্তু এই অভ্যাসটাই যে আপনাকে কতটা প্রশান্তি দেবে, আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না। কোনো কারণে খুব বেশি মন খারাপ লাগলে, কোনো বিষয় আপনাকে কষ্ট দিলে, প্রতিদিনের ছোট বড়, আনন্দ কষ্টের ঘটনাগুলো তারিখ দিয়ে ডায়েরিতে লিখে রাখুন। এটা স্মৃতির মতো কাজ করে। অনেকদিন পর আপনি যখন পুরনো ডায়েরি খুলে পড়বেন, সেটা অন্য রকম ভালো লাগার আবেশ তৈরি করবে, পুরনো অনেক স্মৃতি মনে করিয়ে দেবে। আর ডায়েরি লেখার কারণে মনের ভেতরের চাপ অনেকটাই কমে যায়। 

পছন্দের কাজগুলো করুনঃ

মানসিক চাপ দূর করার উপায় গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো আপনার যেই কাজটি ভালো লাগে সেই কাজটি করার চেষ্টা করুন। অনেকে আছেন মনের বিরুদ্ধে কোন কাজ করতে গিয়ে মানসিক শান্তি পান না এর ফলে মানসিক চাপ অনুভব করেন। আপনি হয়তো গান করতে বা ছবি আঁকতে পছন্দ করেন। বড় হওয়ার পর কাজের চাপে বা সংসারের বিভিন্ন ঝক্কি-ঝামেলায় এগুলো করা হয়ে উঠে না আর এর ফলে মানসিক চাপে থাকেন। কিন্তু এইরকম না করে আপনার যে কাজটি পছন্দ বা করতে ভালোবাসেন সেই কাজগুলো করুন এমনিতেই মানসিক শান্তি পাবেন। 

নেতিবাচক চিন্তা এড়িয়ে চলুনঃ

খারাপ চিন্তা হয়তো সবসময় এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তবে চেষ্টা করুন ইতিবাচক চিন্তা করতে। ভাবুন যা চাইছেন তা ইতিবাচকভাবেই পাবেন। এটা আপনাকে মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করবে।

অন্যদের সাথে নিজেকে তুলনা করবেন নাঃ 

অন্যদের সাথে নিজেকে তুলনা করবেন না। কে কী করছে সে বিষয়ে মাথা ঘামানো নিজের মানসিক চাপ বৃদ্ধির একটি কারণ। আরেকটি সমস্যা হবে, অন্যের বিষয় নিয়ে মাথা ঘামালে নিজেকে অন্যদের সাথে তুলনা করার মনোভাব সৃষ্টি হবে। টাকা-পয়সা, সামাজিক অবস্থান, পদমর্যাদা, গাড়ি, বাড়ি, অলংকার, পোশাক, সৌন্দর্য ইত্যাদি দিক থেকে তখন মানসিক চাপ অনুভব করবেন। তাই আল্লাহ আপনাকে যা দিয়েছেন তা নিয়ে খুশি থাকুন আর আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করুন। তাহলে হৃদয়ে পরম প্রশান্তি অনুভব করবেন ইনশাআল্লাহ।

অতিরিক্ত লোভ থেকে বিরত থাকুনঃ 

অতিরিক্ত লোভ থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করুন। অতিরিক্ত লোভী ব্যক্তি অর্থ-কড়ি, ধন-দৌলত, পদমর্যাদা ইত্যাদি বৃদ্ধির চিন্তায় বিভোর থাকে। এর ফলে একজন মানুষ অতিরিক্ত আয়-ইনকাম করতে গিয়ে মানসিক চাপে ভুগে থাকেন। সুতরাং অল্পে সন্তুষ্ট থাকুন মানসিক শান্তির জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি তাকওয়ারও পরিচায়ক। 

সাধ্যের বাইরে অর্থ-সম্পদ করবেন নাঃ 

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন অন্যদেরকে দেখাতে গিয়ে যতটুকু আই ইনকাম করেন তার চেয়ে বেশি খরচ করে থাকে এর ফলে আবার অন্যান্য লোকের কাছে ধার করতে হয়। কিন্তু দিন শেষে সেই ধার করা টাকা শোধ করতে গিয়ে মানসিক চাপের সৃষ্টি হয়। সুতরাং মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার উপায় হল নিজের যতটুকু সম্পদ আছে তা সুষ্ঠুভাবে ব্যবহার করে জীবন পরিচালনা করা। 

বর্তমানকে প্রধান্য দিনঃ

অনেকেই আছেন অতীত এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশি ভাবনা-চিন্তা করে থাকেন। অনেকেই অতীতে কি ভুল করেছেন তা নিয়ে সবসময় চিন্তিত থাকেন। আবার আরেক ধরনের মানুষ আছেন যারা বেশি বেশি ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তা ভাবনা করেন। এই দুটির কোনোটিই ভালো না। বর্তমানে আপনি কেমন আছেন সেটি নিয়েই সন্তুষ্ট থাকুন বর্তমানকে প্রধান্য দিন দেখবেন মানসিক চাপ অনেকটাই কমে গেছে।

পছন্দের জায়গায় ভ্রমণ করুনঃ 

অশান্ত মনকে শান্ত করার জন্য ঘোরাঘুরি করার কোনো বিকল্প নেই। অনেকেই সংসার জীবন এর চাপ ব্যবসা-বাণিজ্য বা অফিসের চাপ ইত্যাদি কারণে মানসিক চাপ অনুভব করেন। এই ধরনের মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার উপায় হল সময় বের করে পছন্দের জায়গায় ভ্রমণ করুন। দেখবেন এমনিতেই মানসিক শান্তি পাচ্ছেন।

আমরা উপরে বেশকিছু মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার উপায় আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আশা করা যায় উপরিউক্ত নিয়মগুলো যদি আপনারা ফলো করেন তাহলে মানসিক চাপ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারবেন।

মানসিক চাপ কমানোর ঔষধ

মানসিক চাপ জীবনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানসিক চাপ থাকবেই। আমাদের লক্ষ্য হবে মানসিক চাপ কমিয়ে বা চাপমুক্ত হয়ে জীবন চলার পথে অগ্রসর হওয়া। মানসিক চাপের অন্যতম একটি কারণ অনিদ্রা বা ঠিকমত না ঘুমানো এছাড়াও মানসিক চাপের কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে দুশ্চিন্তা পারিবারিক সমস্যা অর্থনৈতিক সমস্যা ইত্যাদি বিষয়গুলো। দুইভাবে মানসিক চাপ কমানো যেতে পারে মানসিক চাপ কমানোর ঔষধ খেয়ে অথবা মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার উপায় গুলো মেনে চলে। 

মানসিক চাপ কমানোর ঔষধ খুব একটা বেশি নেই। বেশকিছু আর্টিকেলে ঘুমের ঔষধ এর কথা বলা হয়েছে। তবে মানসিক চাপ কমানোর বেশ কিছু ভেষজ ঔষধ রয়েছে। নিচে মানসিক চাপ কমানোর ঔষধ হিসেবে বেশ কিছু ভেষজ ঔষধ এর নাম আপনাদের সাথে শেয়ার করা হলো।

ভালেরিয়ান (Valerian, Tagara)ঃ

এটি ইউরোপ আর এশিয়ার অনেক জায়গায় এই ভেষজ গাছ পাওয়া যায় ৷ এটা একদিকে খাবারে ব্যবহার করা হয়, অন্যদিকে অনিয়মিত ঘুম, বিশেষত ইনসমনিয়া, মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা, নার্ভাস অ্যাস্থমা, হাইপোকন্ড্রিয়া, মাথাব্যথা বা মাইগ্রেন, অবসাদ, মনঃসংযোগের অভাবের ক্ষেত্রেও কাজে লাগে ৷

গালফিমিয়া গ্লাউসা (Galphimia Glauca)ঃ

এই ভেষজ মেক্সিকোয় পাওয়া যায় ৷ সেখানকার বাসিন্দারা দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ কমাতে এটাকে ট্র্যাঙ্কুইলাইজার (tranquilizer) হিসেবে ব্যবহার করেন ৷ 

ভেটিভার রুটঃ

এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় ভেষজ ঔষধগুলোর মধ্যে একটি। এই ভেষজটি আপনাকে স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করে স্ট্রেস এবং উদ্বেগের থেকে দূরে রাখবে সাহায্য করে এবং এটি অনিদ্রার জন্য একটি দুর্দান্ত প্রাকৃতিক প্রতিকারও। এই ভেষজ ঔষধটি ঘুমের জন্য খুবই উপকারী।

শেষ কথাঃ | মানসিক চাপ কাকে বলে | মানসিক চাপ কত প্রকার

প্রিয় পাঠক আমরা এই পোস্টের একদম শেষ দিকে চলে এসেছি। অনেকেই আছেন ইন্টারনেট এ মানসিক চাপ কাকে বলে, মানসিক চাপ কত প্রকার ও কি কি ইত্যাদি বিষয়গুলো সম্পর্কে জানতে চান তাদের সুবিধার্থে এই পোস্টে সুন্দরভাবে আলোচনা করেছি মানসিক চাপ কাকে বলে, মানসিক চাপ কত প্রকার ও কি কি সেই সম্পর্কে। এছাড়াও মানসিক চাপ থেকে দূরে থাকার উপায়, মানসিক চাপ কমানোর ঔষধ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি এই পোস্টে।

আরো পড়ুনঃ মহরম মাসের ইতিহাস এবং মহররম মাসের ফজিলত জেনে নিন। 

পোষ্ট টি পড়ে আপনার কাছে উপকারী মনে হলে শেয়ার করুন আপনার আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধু-বান্ধবদের সাথে যারা মানসিক চাপে রয়েছেন যেন তারা মানসিক চাপ কাকে বলে, মানসিক চাপ কত প্রকার ও কি কি সেটি জেনে নিতে পারেন খুব সহজেই।১৬৮২১ 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন