সূরা আর রহমান আরবি, উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত

সূরা আর রহমান আরবি, উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত - প্রিয় আর্টিকেল পাঠক, আমরা আজকের আর্টিকেলে সূরা আর রহমান আরবি উচ্চারণ ও অর্থ ও ফজিলত সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যারা কোরআন শরীফ বা সুরা পড়তে জানেনা। তাদের জন্য আজকের আর্টিকেল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দেরি না করে জেনে নেয়া যাক, সূরা আর রহমান আরবি উচ্চারণ ও অর্থ ও ফজিলত সম্পর্কে।

সূরা আর রহমান আরবি, উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত

পাঠক, নিশ্চই আপনি জানতে চেয়েছেন ? সূরা আর রহমান আরবি, উচ্চারণ ও অর্থ ও ফজিলত সম্পর্কে। আজকে ভোরের আলো আর্টিকেল পোস্ট এর পক্ষ থেকে সূরা আর রহমান আরবি, উচ্চারণ ও অর্থ ও ফজিলত সম্পর্কে জানাবো।

সূরা আর-রহমান আরবি, উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত "উপস্থাপনা"

প্রিয় পাঠক, আজকের আর্টিকেলে সূরা আর রহমান সম্পর্কে আলোচনা করব। আল কোরআনের সূরা আর রহমান বিচারের দিবসের জাতীয় সংগীত আখ্যা পেয়েছে। এই সূরার পাঠ করলে অনেক নেয়ামত পাওয়া যায়। পাঠক তাহলে পড়ে নেয়া যাক, সূরা আর রহমান আরবি, উচ্চারণ ও অর্থ ও ফজিলত সম্পর্কে।

সূরা আর-রহমান আরবি উচ্চারণ ও অর্থ 

১)আরবিঃ ٱلرَّحْمَٰنُ

উচ্চারণঃ আররাহমা-নু।

অর্থঃ করুনাময় আল্লাহ।

২)আরবিঃ عَلَّمَ ٱلْقُرْءَانَ

উচ্চারণঃ ‘আল্লামাল কুরআ-ন।

 অর্থঃ শিক্ষা দিয়েছেন কোরআন।

৩)আরবিঃ خَلَقَ ٱلْإِنسَٰنَ

উচ্চারণঃ খালাকাল ইনছা-ন।

 অর্থঃ সৃষ্টি করেছেন মানুষ।

৪)আরবিঃ  عَلَّمَهُ ٱلْبَيَانَ

উচ্চারণঃ ‘আল্লামাহুল বায়া-ন।

অর্থঃ তাকে শিখিয়েছেন বর্ণনা।

৫)আরবিঃ  ٱلشَّمْسُ وَٱلْقَمَرُ بِحُسْبَانٍ

 উচ্চারণঃ আশশামছুওয়ালকামারু বিহুছবা-ন।

 অর্থঃ সূর্য ও চন্দ্র হিসাবমত চলে।

৬)আরবিঃ وَٱلنَّجْمُ وَٱلشَّجَرُ يَسْجُدَانِ

 উচ্চারণঃ ওয়ান্নাজমুওয়াশশাজারু ইয়াছজূদা-ন।

 অর্থঃ এবং তৃণলতা ও বৃক্ষাদি সেজদারত আছে।

৭)আরবিঃ وَٱلسَّمَآءَ رَفَعَهَا وَوَضَعَ ٱلْمِيزَانَ

উচ্চারণঃ ওয়াছ ছামাআ রাফা‘আহা-ওয়া ওয়াদা‘আল মীঝা-ন।

অর্থঃ তিনি আকাশকে করেছেন সমুন্নত এবং স্থাপন করেছেন তুলাদন্ড।

৮)আরবিঃ  أَلَّا تَطْغَوْا۟ فِى ٱلْمِيزَانِ

উচ্চারণঃ আল্লা-তাতাগাও ফিল মীঝা-ন।

অর্থঃ যাতে তোমরা সীমালংঘন না কর তুলাদন্ডে।

৯)আরবিঃ وَأَقِيمُوا۟ ٱلْوَزْنَ بِٱلْقِسْطِ وَلَا تُخْسِرُوا۟ ٱلْمِيزَانَ

উচ্চারণঃ ওয়া আকীমুল ওয়াঝনা বিলকিছতিওয়ালা-তুখছিরুল মীঝা-ন।

 অর্থঃ তোমরা ন্যায্য ওজন কায়েম কর এবং ওজনে কম দিয়ো না।

১০)আরবিঃ وَٱلْأَرْضَ وَضَعَهَا لِلْأَنَامِ

উচ্চারণঃ ওয়াল আরদা ওয়া দা‘আহা-লিলআনা-ম।

অর্থঃ তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্টজীবের জন্যে।

১১) আরবিঃ فِيهَا فَٰكِهَةٌ وَٱلنَّخْلُ ذَاتُ ٱلْأَكْمَامِ

উচ্চারণঃ ফীহা-ফা-কিহাতুওঁ ওয়ান্নাখলুযা-তুল আকমা-ম।

অর্থঃ এতে আছে ফলমূল এবং বহিরাবরণবিশিষ্ট খর্জুর বৃক্ষ।

১২)আরবিঃ وَٱلْحَبُّ ذُو ٱلْعَصْفِ وَٱلرَّيْحَانُ

উচ্চারণঃ ওয়াল হাব্বুযুল‘আসফি ওয়াররাইহা-ন।

অর্থঃ আর আছে খোসাবিশিষ্ট শস্য ও সুগন্ধি ফুল।

১৩)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা-তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহকে অস্বীকার করবে?

১৪)আরবিঃ خَلَقَ ٱلْإِنسَٰنَ مِن صَلْصَٰلٍ كَٱلْفَخَّارِ

উচ্চারণঃ খালাকাল ইনছা-না মিন সালসা-লিন কাল ফাখখা-র।

অর্থঃ তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন পোড়া মাটির ন্যায় শুষ্ক মৃত্তিকা থেকে।

১৫)আরবিঃ وَخَلَقَ ٱلْجَآنَّ مِن مَّارِجٍ مِّن نَّارٍ

উচ্চারণঃ ওয়া খালাকাল জান্না মিম্মা-রিজিমমিন্না-র।

অর্থঃ এবং জিনকে সৃষ্টি করেছেন অগ্নিশিখা থেকে।

১৬)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অনুগ্রহ অস্বীকার করবে?

১৭)আরবিঃ رَبُّ ٱلْمَشْرِقَيْنِ وَرَبُّ ٱلْمَغْرِبَيْنِ

উচ্চারণঃ রাব্বুল মাশরিকাইনি ওয়া রাব্বুল মাগরিবাইন।

অর্থঃ তিনি দুই উদয়াচল ও দুই অস্তাচলের মালিক।

১৮)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

১৯)আরবিঃ مَرَجَ ٱلْبَحْرَيْنِ يَلْتَقِيَانِ

উচ্চারণঃ মারাজাল বাহরাইনি ইয়ালতাকিয়া-ন।

অর্থঃ তিনি পাশাপাশি দুই দরিয়া প্রবাহিত করেছেন।

২০)আরবিঃ بَيْنَهُمَا بَرْزَخٌ لَّا يَبْغِيَانِ

উচ্চারণঃ বাইনাহুমা-বারঝাখুল লা-ইয়াবগিয়া-ন।

অর্থঃ উভয়ের মাঝখানে রয়েছে এক অন্তরাল, যা তারা অতিক্রম করে না।

২১)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

২২)আরবিঃ يَخْرُجُ مِنْهُمَا ٱللُّؤْلُؤُ وَٱلْمَرْجَانُ

উচ্চারণঃ ইয়াখরুজূমিনহুমাল লু’লূউ ওয়াল মার জা-ন।

অর্থঃ উভয় দরিয়া থেকে উৎপন্ন হয় মোতি ও প্রবাল।

২৩)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

২৪)আরবিঃ وَلَهُ ٱلْجَوَارِ ٱلْمُنشَـَٔاتُ فِى ٱلْبَحْرِ كَٱلْأَعْلَٰمِ

উচ্চারণঃ ওয়ালাহুল জাওয়া-রিল মুনশাআ-তুফিল বাহরি কালআ‘লা-ম।

অর্থঃ দরিয়ায় বিচরণশীল পর্বতদৃশ্য জাহাজসমূহ তাঁরই (নিয়ন্ত্রনাধীন)

২৫)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

২৬)আরবিঃ كُلُّ مَنْ عَلَيْهَا فَانٍ

উচ্চারণঃ কুল্লুমান ‘আলাইহা-ফা-নিওঁ।

অর্থঃ ভূপৃষ্টের সবকিছুই ধ্বংসশীল।

২৭)আরবিঃ وَيَبْقَىٰ وَجْهُ رَبِّكَ ذُو ٱلْجَلَٰلِ وَٱلْإِكْرَامِ

উচ্চারণঃ ওয়া ইয়াবকা-ওয়াজহু রাব্বিকা যুল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম।

অর্থঃ একমাত্র আপনার মহিমায় ও মহানুভব পালনকর্তার সত্তা ছাড়া।

২৮) আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

২৯)আরবিঃ يَسْـَٔلُهُۥ مَن فِى ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ كُلَّ يَوْمٍ هُوَ فِى شَأْنٍ

উচ্চারণঃ ইয়াছআলুহূমান ফিছ ছামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদি কুল্লা ইয়াওমিন হুওয়া ফী শা’ন।

অর্থঃ নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের সবাই তাঁর কাছে প্রার্থী। তিনি সর্বদাই কোন না কোন কাজে রত আছেন।

৩০)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৩১)আরবিঃ سَنَفْرُغُ لَكُمْ أَيُّهَ ٱلثَّقَلَانِ

উচ্চারণঃ ছানাফরুগু লাকুম আইয়ুহাছছাকালা-ন।

অর্থঃ হে জিন ও মানব! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্যে কর্মমুক্ত হয়ে যাব।

৩২)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৩৩)আরবিঃ يَٰمَعْشَرَ ٱلْجِنِّ وَٱلْإِنسِ إِنِ ٱسْتَطَعْتُمْ أَن تَنفُذُوا۟ مِنْ أَقْطَارِ ٱلسَّمَٰوَٰتِ وَٱلْأَرْضِ فَٱنفُذُوا۟ لَا تَنفُذُونَ إِلَّا بِسُلْطَٰنٍ

উচ্চারণঃ ইয়া-মা‘শারাল জিন্নি ওয়াল ইনছি ইনিছতাতা‘তুম আন তানফুযূমিন আকতা-রিছ ছামাওয়া-তি

অর্থঃ হে জিন ও মানবকূল,নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের প্রান্ত অতিক্রম করা যদি তোমাদের সাধ্যে কুলায়,

৩৪)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৩৫)আরবিঃ يُرْسَلُ عَلَيْكُمَا شُوَاظٌ مِّن نَّارٍ وَنُحَاسٌ فَلَا تَنتَصِرَانِ

উচ্চারণঃ ইউরছালু‘আলাইকুমা-শুওয়া-জু ম মিন্না-রিওঁ ওয়া নুহা-ছুন ফালা-তানতাসিরা-ন।

অর্থঃ ছাড়া হবে তোমাদের প্রতি অগ্নিস্ফুলিঙ্গ ও ধুম্রকুঞ্জ তখন তোমরা সেসব প্রতিহত করতে পারবে না।

৩৬)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৩৭)আরবিঃ فَإِذَا ٱنشَقَّتِ ٱلسَّمَآءُ فَكَانَتْ وَرْدَةً كَٱلدِّهَانِ

উচ্চারণঃ ফাইযান শাককাতিছ ছামাউ ফাকা-নাত ওয়ারদাতান কাদ্দিহা-ন।

অর্থঃ যেদিন আকাশ বিদীর্ণ হবে তখন সেটি রক্তবর্ণে রঞ্জিত চামড়ার মত হয়ে যাবে।

৩৮)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৩৯)আরবিঃ فَيَوْمَئِذٍ لَّا يُسْـَٔلُ عَن ذَنۢبِهِۦٓ إِنسٌ وَلَا جَآنٌّ

উচ্চারণঃ ফাইয়াওমা ইযিল্লা-ইউছআলু‘আন যামবিহী ইনছুওঁ ওয়ালা-জান।

অর্থঃ সেদিন মানুষ না তার অপরাধ সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে, না জিন।

৪০)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৪১)আরবিঃ  يُعْرَفُ ٱلْمُجْرِمُونَ بِسِيمَٰهُمْ فَيُؤْخَذُ بِٱلنَّوَٰصِى وَٱلْأَقْدَامِ

উচ্চারণঃ ইউ‘রাফুল মুজরিমূনা বিছীমা-হুম ফাইউ’খাযুবিন্নাওয়া-ছী ওয়াল আকদা-ম।

অর্থঃ অপরাধীদের পরিচয় পাওয়া যাবে তাদের চেহারা থেকে; অতঃপর তাদের কপালের চুল ও পা ধরে টেনে নেয়া হবে।

৪২)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৪৩)আরবিঃ هَٰذِهِۦ جَهَنَّمُ ٱلَّتِى يُكَذِّبُ بِهَا ٱلْمُجْرِمُونَ

উচ্চারণঃ হা-যিহী জাহান্নামুল্লাতী ইউকাযযি বুবিহাল মুজরিমূন।

অর্থঃ এটাই জাহান্নাম, যাকে অপরাধীরা মিথ্যা বলত।

৪৪)আরবিঃ يَطُوفُونَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ حَمِيمٍ ءَانٍ

উচ্চারণঃ ইয়াতূ ফূনা বাইনাহা-ওয়া বাইনা হামীমিন আ-ন।

 অর্থঃ তারা জাহান্নামের অগ্নি ও ফুটন্ত পানির মাঝখানে প্রদক্ষিণ করবে।

৪৫)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৪৬)আরবিঃ وَلِمَنْ خَافَ مَقَامَ رَبِّهِۦ جَنَّتَانِ

উচ্চারণঃ ওয়া লিমান খা-ফা মাকা-মা রাব্বিহী জান্নাতা-ন।

অর্থঃ যে ব্যক্তি তার পালনকর্তার সামনে পেশ হওয়ার ভয় রাখে, তার জন্যে রয়েছে দু’টি উদ্যান।

৪৭)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৪৮)আরবিঃ ذَوَاتَآ أَفْنَانٍ

উচ্চারণঃ যাওয়া-তা আফনা-ন।

অর্থঃ উভয় উদ্যানই ঘন শাখা-পল্লববিশিষ্ট।

৪৯)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৫০)আরবিঃ فِيهِمَا عَيْنَانِ تَجْرِيَانِ

উচ্চারণঃ ফীহিমা-‘আইনা-নি তাজরিয়া-ন।

অর্থঃ উভয় উদ্যানে আছে বহমান দুই প্রস্রবন।

৫১)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৫২)আরবিঃ فِيهِمَا مِن كُلِّ فَٰكِهَةٍ زَوْجَانِ

উচ্চারণঃ ফীহিমা-মিন কুল্লি ফা-কিহাতিন ঝাওজা-ন।

অর্থঃ উভয়ের মধ্যে প্রত্যেক ফল বিভিন্ন রকমের হবে।

৫৩)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৫৪)আরবিঃ مُتَّكِـِٔينَ عَلَىٰ فُرُشٍۭ بَطَآئِنُهَا مِنْ إِسْتَبْرَقٍ وَجَنَى ٱلْجَنَّتَيْنِ دَانٍ

উচ্চারণঃ মুত্তাকিঈনা ‘আলা-ফুরুশিম বাতাইনুহা-মিন ইছতাবরাকিও ওয়া জানাল জান্নাতাইনি দা-ন।

অর্থঃ তারা তথায় রেশমের আস্তরবিশিষ্ট বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে। উভয় উদ্যানের ফল তাদের নিকট ঝুলবে।

৫৫)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৫৬)আরবিঃ فِيهِنَّ قَٰصِرَٰتُ ٱلطَّرْفِ لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَآنٌّ

উচ্চারণঃ ফীহিন্না কা-সিরা-তুত্তারফি লাম ইয়াতমিছহুন্না ইনছুন কাবলাহুম ওয়ালা-জান।

অর্থঃ তথায় থাকবে আনতনয়ন রমনীগন, কোন জিন ও মানব পূর্বে যাদের ব্যবহার করেনি।

৫৭)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৫৮)আরবিঃ كَأَنَّهُنَّ ٱلْيَاقُوتُ وَٱلْمَرْجَانُ

উচ্চারণঃ কাআন্নাহুন্নাল ইয়া‘কূতুওয়াল মারজান-ন।

অর্থঃ প্রবাল ও পদ্মরাগ সদৃশ রমণীগণ।

৫৯)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৬০)আরবিঃ هَلْ جَزَآءُ ٱلْإِحْسَٰنِ إِلَّا ٱلْإِحْسَٰنُ

উচ্চারণঃ হাল জাঝাউল ইহছা-নি ইল্লাল ইহছা-ন।

অর্থঃ সৎকাজের প্রতিদান উত্তম পুরস্কার ব্যতীত কি হতে পারে?

৬১)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৬২)আরবিঃ وَمِن دُونِهِمَا جَنَّتَانِ

উচ্চারণঃ ওয়া মিন দূনিহিমা-জান্নাতা-ন।

অর্থঃ এই দু’টি ছাড়া আরও দু’টি উদ্যান রয়েছে।

৬৩)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৬৪)আরবিঃ مُدْهَآمَّتَانِ

উচ্চারণঃ মুদ হূমমাতা-ন।

অর্থঃ কালোমত ঘন সবুজ।

৬৫)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৬৬)আরবিঃ فِيهِمَا عَيْنَانِ نَضَّاخَتَانِ

উচ্চারণঃ ফীহিমা-‘আইনা-নি নাদ্দাখাতা-ন।

অর্থঃ তথায় আছে উদ্বেলিত দুই প্রস্রবণ।

৬৭)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৬৮)আরবিঃ فِيهِمَا فَٰكِهَةٌ وَنَخْلٌ وَرُمَّانٌ

উচ্চারণঃ ফীহিমা-ফা-কিহাতুওঁ ওয়া নাখলুওঁ ওয়ারুম্মা-ন।

অর্থঃ তথায় আছে ফল-মূল, খর্জুর ও আনার।

৬৯)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৭০)আরবিঃ فِيهِنَّ خَيْرَٰتٌ حِسَانٌ

উচ্চারণঃ ফীহিন্না খাইরা-তুন হিছা-ন।

অর্থঃ সেখানে থাকবে সচ্চরিত্রা সুন্দরী রমণীগণ।

৭১)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব,তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৭২)আরবিঃ حُورٌ مَّقْصُورَٰتٌ فِى ٱلْخِيَامِ

উচ্চারণঃ হূরুমমাকসূরা-তুন ফিল খিয়া-ম।

অর্থঃ তাঁবুতে অবস্থানকারিণী হুরগণ।

৭৩)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৭৪)আরবিঃ لَمْ يَطْمِثْهُنَّ إِنسٌ قَبْلَهُمْ وَلَا جَآنٌّ

 উচ্চারণঃ লাম ইয়াতমিছহুন্না ইনছুন কাবলাহুম ওয়ালা-জান।

অর্থঃ কোন জিন ও মানব পূর্বে তাদেরকে স্পর্শ করেনি।

৭৫)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

 উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?

৭৬)আরবিঃ مُتَّكِـِٔينَ عَلَىٰ رَفْرَفٍ خُضْرٍ وَعَبْقَرِىٍّ حِسَانٍ

উচ্চারণঃ মুত্তাকিঈনা ‘আলা-রাফরাফিন খুদরিওঁ ওয়া ‘আবকারিইয়িন হিছা-ন।

অর্থঃ তারা সবুজ মসনদে এবং উৎকৃষ্ট মূল্যবান বিছানায় হেলান দিয়ে বসবে।

৭৭)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

৭)আরবিঃ فَبِأَىِّ ءَالَآءِ رَبِّكُمَا تُكَذِّبَانِ

উচ্চারণঃ ফাবিআইয়ি আ-লাই রাব্বিকুমা- তুকাযযিবা-ন।

অর্থঃ অতএব, তোমরা উভয়ে তোমাদের পালনকর্তার কোন কোন অবদানকে অস্বীকার করবে?


৭৮)আরবিঃ تَبَٰرَكَ ٱسْمُ رَبِّكَ ذِى ٱلْجَلَٰلِ وَٱلْإِكْرَامِ

উচ্চারণঃ তাবা-রাকাছমুরাব্বিকা যিল জালা-লি ওয়াল ইকরা-ম।

অর্থঃ কত পূণ্যময় আপনার পালনকর্তার নাম, যিনি মহিমাময় ও মহানুভব।

সুরা আর রহমানের ফজিলত

  • সূরা আর রহমান নিয়মিত পাঠ করলে কেয়ামতের দিন তার চেহারা পূর্ণিমার চাঁদের মতো উজ্জ্বল হবে সে বেহেস্ত প্রবেশ করবে ও তার দোয়া আল্লাহ কবুল করবেন।
  • সাদা রং এর বর্তনে সূরা আর রহমান লিখে বিধত পানি পান করালে পিলহাগোস্ত রোগী আরোগ্য হয়।
  • ঘুমের মধ্যে সূরা আর রহমান পাঠ করা দেখতে পেলে হজ করার সৌভাগ্য হয়।
  • অন্তরে সাথে খাস নিয়তে সূরা রহমান পাঠ করলে তার জন্য দোজখের দরজা বন্ধ হয়ে যায় ও বেহেস্তের দরজা খুলে দেয়া হয়।
  • সূরা আর রহমান ১১ বার পাঠ করলে তার মনে হচ্ছে পূরণ হয়।
  • সূরা আর রহমান পড়ে চোখে ফু দিলে চোখের রোগ দূর হয়।
  • নিয়মিত সূরা আর রহমান পাঠ করলে বসন্ত রোগ থেকে মুক্তি পাবে।

সর্বশেষ কথা

প্রিয় পাঠক, নিশ্চয়ই আপনাদের বোঝাতে পেরেছি সুরা আর রহমানের আরবি, উচ্চারণ, অর্থ ও ফজিলত সম্পর্কে। এতক্ষণে আমাদের সঙ্গে থেকে পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
Next Post Previous Post