১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ ও ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি - প্রিয় ভিউয়ার্স আশা করছি ভাল আছেন। আজকের আর্টিকেলে আমি আপনাদের সাথে ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ সম্পর্কে আলোচনা করব। এছাড়াও ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি আপনাদের সামনে তুলে ধরবো। ১৫ ই আগস্ট শোক দিবস কেন পালন করা হয়। কারণ এই দিনে ১৯৭৫ সালে আগস্ট মাসের ১৫ তারিখে সহ পরিবার দুর্বৃত্তদের হামলায় মৃত্যুবরণ করেন। ১৫ই আগস্ট শোক দিবস ২০২৩ নিয়ে আলোচনা করা হবে।

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি

তাহলে চলুন আর কথা না বাড়িয়ে আমাদের আজকের আর্টিকেল সন্তানের শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়ে ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ ও ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়। কারণ ১৫ ই আগস্ট রয়েছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের ও তার পরিবারের নৃশংস হত্যাকান্ডের মত ঘটনা। ১৫ ই আগস্ট সেই দিনটি আজও বাঙ্গালীদের মনে দাগ কেটে রয়েছে। কারণ এই দিনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শহীদ বরণ করেন। 

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি শতাব্দীর পরাধীনতার শৃঙ্খলা থেকে মুক্তি করার জন্য তিনি ছিলেন বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ নেতা। যার কারণে আজকের আমরা স্বাধীন বাংলা রাষ্ট্র ভাষা অর্জন করেছি।

সামনে যেহেতু আগস্ট মাস আসতে চলেছে আর তাই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথা সকলে মনে করে এই দিনটির জন্য হাজারো বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্দেশ্যে শোক পালন করে থাকে।

আপনারা যারা ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি দেখতে আমাদের আজকের আর্টিকেলটি ওপেন করেছেন। তাদের সুবিধার্থে ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ও ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি নিচে আলোচনা করা হবে।

১৫ ই আগস্ট কি দিবস - ১৫ ই আগস্ট ২০২৩ কত তম শোক দিবস

১৫ই আগস্ট ১৯৭৫ সালে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়। প্রতিবছর ১৫ ই আগস্ট কে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের আয়োজন করা হয়ে থাকে। তার ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যের মাগফিরাতের জন্য বিভিন্ন ধরনের আয়োজনে ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে।

আমাদের আজকের আর্টিকেলের এই পর্বে থেকে আপনি জানতে পারবেন ১৫ই আগস্ট ২০২৩ কততম শোক দিবস তা সম্পর্কে। ১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট জাতির পিতা শেখ মুজিবর রহমান সহ পরিবারে শহিদ হন, এবং এখন ২০২৩ সাল চলছে সেনুযায়ী ২০২৩ সালে ৪৮ তম শোক দিবস উদযাপিত হতে যাচ্ছে।

প্রতিবছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন স্কুলপ্রতিষ্ঠানে ১৫ই আগস্ট এর দিনে জাতীয় শোক দিবস পালন করবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন। শহরে বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে গ্রামের ছোট ছোট অঞ্চলের বিভিন্ন মানুষ ১৫ই আগস্টের দিনের জাতীয় শোক দিবস পালন করে থাকে। এই দিনে দোয়া মাহফিল ও বিভিন্ন আয়োজন করা হয়ে থাকে।

১৫ই আগস্ট কিভাবে পালন করা হয় - ১৫ ই আগস্ট কে কেন শোক দিবস বলা হয়ে থাকে

প্রতিবছর ১৫ ই আগস্ট এর দিনে সারা বাংলাদেশে জাতীয় শোক দিবস পালন করা হয়। প্রতিবছর সকাল ৮টা থেকে জাতির পিতা জনক শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবনে ফুলের মালা দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

এরপর সকাল ১১ টায় টুঙ্গিপাড়া জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান এর কবর স্থানে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এবং সেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত থাকেন।

১৫ই আগস্ট দিনে সারা বাংলাদেশের সকল মসজিদে জাতি জনক শেখ মুজিবুর রহমানের উদ্দেশ্যে দোয়া ও মাহফিল করা হয়ে থাকে। বাংলাদেশের বিভিন্ন টেলিভিশন, বিভিন্ন চ্যানেলে শোক দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করা হয়ে থাকে।

১৫ ই আগস্ট কততম শোক দিবস - ১৫ই আগস্ট এর ঘটনা - ১৫ই আগস্ট ১৯৭৫ সালে কি হয়েছিল

১৯৭৫ সালে ১৫ ই আগস্ট রাত প্রায় এগারোটা বাজে তখন এক দল সেনাবাহিনী মিলিটারি ট্যাংক ঢাকা ধানমন্ডি ৩২ নাম্বার বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ায়। মানুষ তখন আশেপাশে নিশ্চুপ ঘুমে নির্গত রয়েছিল। তখন ৩২ নাম্বার বাড়ি থেকে বিকট শব্দে গলির আওয়াজ আসতে শুরু করে। জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান তখন ছিলেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মানুষের শ্রদ্ধেয় নেতা। তখন তিনি এটি বুঝতে পারেন যে এটি কোন শান্তি মিশনের গুলিবর্ষণকারী নয়।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতির নেতা তখনো ভয় না পেয়ে। স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন। স্বাধীনতা সর্বভৌমত্ব হাজারো বাঙ্গালী তার নেতৃত্ব শুনে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে বাংলা রাষ্ট্র অর্জন করেছে। দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব পাকিস্তানের হাত থেকে বাংলাদেশ যুদ্ধ করে নিজের দেশকে স্বাধীন করার শক্তি যোগিয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিপদের কথা শুনে কখনো পিছপা হয়নি। তখন তার সামনে মিলিটারি আসে তখন নির্ভয়ে তাদেরকে তার কন্ঠে বলেন তোমরা এখানে কেন? কি চাও তোমরা। তখন কোন কথা না বলেই মেলেটারি বাহিনীরা গুলি বর্ষণ করতে থাকে শেখ মুজিবুর রহমান কে। সেদিন রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বুকের রক্তে এই মাটি লাল হয়। সেদিন রাত ছিল ১৫ ই আগস্ট যেদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নিজের বুকে রক্ত দিয়ে  শহীদ হন।

জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট ২০২৩ কততম শোক দিবস

১৯৭৫ সালে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার পরিবারের ২৭ জন শহীদ বরণ করেন। ১৯৭৫ সালে ১৫ ই আগস্ট মধ্যরাতে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান সহ তার পরিবারকে মিলিটারি বাহিনী গুলির আঘাতে মেরে ফেলেন। সেদিন রাত ছিল হাজারো বাঙ্গালীদের কাছে অনেক বেদনা দায়ক একটি রাত।

১৯৭৫ সালের ১৫ ই আগস্ট সেদিন রাতে মিলিটার বাহিনী ঘাতকদের হাতে বাঙালি জাতির নায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান, বঙ্গবন্ধুর স্ত্রী শেখ ফজিলাতুনেহা, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শেখ রাসেল, শেখ কামালের স্ত্রী সুলতানা, জামালের স্ত্রী রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর ভাই শেখ নাসের, এসবি অফিসার সিদ্দিকুর রহমান, কর্নেল জামিল, সেনা সদস্য সৈয়দ, মাহবুবুল হক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে যুবলীগ নেতা, শেখ ফজলুল হক মনির বাসায় হামলা চালিয়ে শেখ ফজলুল হক মনি,

তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি, বঙ্গবন্ধুর অগ্নিপতি আব্দুর রব, সেদিন সেরনিয়াবাতের বাসায় হামলা করে সেরনিয়াবাত এবং তার কন্যা বেবি, পুত্র আরিফ সেরনিয়াবাত, নাতি সুকান্ত বাবু, আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের বড় ভাইয়ের ছেলে সজীব সেরনিয়াবাত এবং এক আত্মীয় বেন্টু খান তার দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনাদেশের বাইরে থাকার কারণে বেঁচে যান।

১৯৭৫ সালে কি হয়েছিল ১৫ - ই আগস্ট এর ঘটনা - জাতীয় শোক দিবস ২০২৩

কয়েক জনের সংক্ষিপ্ত পরিচয়-

শেখ কামাল (বঙ্গবন্ধুর বড় ছেলে)

জন্ম : টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ৫ই আগস্ট, ১৯৪৯ সাল।

বঙ্গবন্ধুর বড় পুত্র শেখ কামাল ঢাকার শাহীন স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন এবং ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং বি.এসসি. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগ থেকে। উঃ (অনার্স) পাশ। তিনি ছায়ানটে সেতার বাজানো বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তিনি নাটক, মঞ্চ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক ছিলেন। 

ঢাকা থিয়েটারের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। অভিনেতা হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যমঞ্চে তিনি প্রতিষ্ঠিত। ছোটবেলা থেকেই খেলাধুলার প্রতি তার প্রবল উৎসাহ ছিল। আবাহনী ছিলেন ক্রীড়াচক্রের প্রতিষ্ঠাতা।

শেখ জামাল (বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় ছেলে)

জন্ম : টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, ২৮ এপ্রিল, ১৯৫৪ সাল।

বঙ্গবন্ধুর মেজো ছেলে শেখ জামাল শাহীন স্কুল থেকে এবং পরে রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাস করেন। মিউজিক একাডেমিতে গিটার বাজানো শিখেছেন। মাঠে ক্রিকেট খেলত আবাহনী। ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে তিনি তার মায়ের সাথে ধানমন্ডির ১৮ নম্বর রোডের বাড়িতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর হাতে বন্দী থাকা অবস্থায় একদিন গোপনে কালিগঞ্জ হয়ে মুক্ত এলাকায় চলে যান এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

শেখ রাসেল (বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র)

জন্ম : ঢাকা, ১৮ অক্টোবর ১৯৬৪ সাল।

বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল ঢাকা ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। বাড়ির ছোট ছেলে হিসেবেই সবার কাছে প্রিয় ছিলেন তিনি। রাজনৈতিক পরিবেশ ও সংকটের মধ্যেও তিনি তার নিত্য সঙ্গী সাইকেল নিয়ে নিজেকে ব্যস্ত রাখেন। 

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাস বাবার অনুপস্থিতি তাকে এতটাই আবেগাপ্লুত করে তোলে যে পরবর্তীতে তিনি সব সময় বাবার কাছে থাকার জন্য জোর দেন। 1975 সালের 15 আগস্ট বঙ্গবন্ধুর পুরো পরিবারকে হত্যা করে তাদের লাশ দেখানো হয়, তারপর রাসেলকে হত্যা করা হয়। শ্রমিকরা তাকে পেছনের সিঁড়ি দিয়ে নামিয়ে দেয়। 

কিন্তু ঘাতকরা তাকে দেখে ফেলে। গুলি চালানোর আগে ওয়্যারলেসভাবে অনুমতি নেওয়া হয়। রাসেল প্রথমে মায়ের কাছে যেতে চায়। মায়ের লাশ দেখে কান্নাজড়িত কন্ঠে অনুরোধ করলেন, আমাকে হাসু আপার (শেখ হাসিনা) কাছে পাঠান।

শেখ আবু নাসের (বঙ্গবন্ধুর ছোট ভাই)

জন্ম : টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ, সেপ্টেম্বর, ১৯২৮ সাল।

শেখ আবু নাসের টুঙ্গিপাড়া ও গোপালগঞ্জে পড়াশোনা করেছেন। শারীরিক অসুস্থতা ও বড় ভাই রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত থাকার কারণে ছোটবেলায় বাবাকে পারিবারিক কর্মকাণ্ড ও ব্যবসায় যোগ দিতে হয়। এজন্য তাকে খুলনা শহরে থাকতে হয়েছে। পরবর্তীতে তিনি খুলনার একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন।

তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং নানাভাবে সহযোগিতা করেন। ১৯৭৫ সালে নিহত হওয়ার সময় তিনি তার বড় ভাইয়ের বাড়িতে ছিলেন। তিনি গর্ভবতী স্ত্রী এবং ৪ ছেলে ও ২ মেয়ে রেখে গেছেন।

সুলতানা কামাল খুকু (শেখ কামালের স্ত্রী)

জন্ম : ঢাকা, ১৯৫১ সাল।

দবির উদ্দিন আহমেদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলীর ছোট মেয়ে। মুসলিম গার্লস স্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে অনার্স পাস। 1975 সালে এই পরীক্ষা দেন এম. স্কুল থেকে আন্তঃক্রীড়ায় অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন বিভাগে মেধা প্রদর্শন করে। পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক ক্রীড়া বিশেষ করে লং জাম্পে চ্যাম্পিয়ন হন।

পারভীন জামাল রোজী (শেখ জামালের স্ত্রী)

জন্ম : সিলেট, ১৯৫৬ সাল।

বঙ্গবন্ধুর ছোট বোন খাদেজা হোসেনের মেয়ে ড. পিতা সৈয়দ হোসেন বঙ্গবন্ধু সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। ধানমন্ডি গার্লস স্কুল থেকে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করার পর বদরুন্নেসা আহমেদ কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী ছিলেন। তার বিবাহিত জীবন মাত্র 30 দিন ছিল। হাতে তখনও মেহেদির রং লেগে আছে। বেগম মুজিবকে হত্যার পর ঘাতকরা জামালের পাশে থাকা রোজি ও সুলতানাকে গুলি করে হত্যা করে। সেই বাড়িতে দুই বধূর শুভ কামনার পাশাপাশি বিষাদময় বিদায়ও ছিল একসঙ্গে।

আবদুর রব সেরনিয়াবাত (বঙ্গবন্ধুর সেজ বোনের স্বামী)

জন্ম : বরিশাল, ১৪ই চৈত্র ১৩২৭ বাংলা।

বরিশাল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করার পর তিনি কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে বঙ্গবন্ধুর সহপাঠী ছিলেন। বাকেরও হোস্টেলে একসঙ্গে থাকতেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর সেজ বোন আমেনা বেগমের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। আমি কলকাতায়। এ. এবং বি. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি পাস করার পর তিনি বরিশালে একজন আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

1970 সালের নির্বাচনে তিনি আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৭২ সালের ১২ এপ্রিল তিনি কৃষিমন্ত্রী হন। তিনি 1973 সালের নির্বাচনেও জয়লাভ করেন এবং বঙ্গবন্ধু কর্তৃক সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ মন্ত্রী নিযুক্ত হন। কৃষি সংস্কার এবং উৎপাদন ও কৃষকদের সহায়তার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু সরকারের ভূমিকা ছিল যথেষ্ট শক্তিশালী। তিনি একজন সৎ আদর্শবাদী ব্যক্তি হিসেবে সর্ব মহলে প্রশংসিত ছিলেন।

শেখ ফজলুল হক মনি (বঙ্গবন্ধুর মেজো বোনের বড় ছেলে)

জন্ম : টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ ৪ঠা ডিসেম্বর, ১৯৩৯ সাল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন একনিষ্ঠ অনুসারী, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সাংবাদিক, দৈনিক বাংলার বাণী ও বাংলাদেশ টাইমসের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক, সাপ্তাহিক 'সিনেমা' ও মধুমতি প্রিন্টিং হাউসের প্রতিষ্ঠাতা। শেখ ফজলুল হক মণি ঢাকা নবকুমার স্কুল থেকে ১৯৫৬ সালে। ম্যাট্রিকুলেশন, আই.এ. ঢাকা জগন্নাথ কলেজ থেকে 1958 সালে। 1960 সালে বরিশাল কলেজ থেকে বি.এম.বি. ১৯৬২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এ. এবং এম. এ. বং পরে এলএলবি পাস করেন।

বেগম আরজু মনি (শেখ ফজলুল হক মনির স্ত্রী)

জন্ম : বরিশাল, ১৫ মার্চ ১৯৪৭ সাল।

বরিশাল সরকারি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং বিএম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং বিএ পাস করেন আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বড় মেয়ে। 1970 সালে খালাত তার ভাই শেখ ফজলুল হক মনির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। দুই সন্তানের জননী আরজু অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় স্বামীর সঙ্গে গুলিবিদ্ধ হন। ১৯৭৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ পাস করেন।

কর্ণেল জামিল উদ্দিন আহমেদ (বঙ্গবন্ধুর প্রধান নিরাপত্তা অফিসার)

জন্ম : গোপালগঞ্জ, ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৩ সাল।

1952 সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে ক্যাডেট হিসেবে যোগদান করেন এবং 1955 সালে কমিশন লাভ করেন। 1973 সালে পাকিস্তান থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সচিবালয়ে যোগ দেন এবং বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তার দায়িত্ব নেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর ৫টায় বঙ্গবন্ধু লাল টেলিফোনে সেনাবাহিনীর বাসভবন অবরোধের কথা জানালে তিনি সঙ্গে সঙ্গে চলে যান। কিন্তু ঘাতকরা তাকে সোবহানবাগ মসজিদের সামনে নির্মমভাবে হত্যা করে।

বেবী সেরনিয়াবাত (আবদুর রব সেরনিয়াবাতের ছোট মেয়ে)

জন্ম : বরিশাল, ২০ মে ১৯৬০ সাল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ল্যাবরেটরী হাইস্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল। নিহত হবার সময় পিতার কাছে ছিল।

আরিফ সেরনিয়াবাত (আবদুর রব সেরনিয়াবাতের কনিষ্ঠ পুত্র)

জন্ম : ২৭ মার্চ, ১৯৬৪ সাল।

তিনি ঢাকা ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। নিহত হওয়ার সময় সে তার বাবার সঙ্গে ঢাকায় ছিল।

সুকান্ত আবদুল্লাহ বাবু (আবদুর রব সেরনিয়াবাতের নাতি)

জন্ম : গৌরনদী, বরিশাল, ২২ জুন ১৯৭১ সাল।

আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বড় ছেলে আবুল হাসনাত আবদুল্লাহর বড় ছেলে বাবু নিহত হওয়ার সময় তার বয়স ছিল ৪ বছর এবং ঢাকায় তার নানার বাড়িতে গিয়েছিলেন।

শহীদ সেরনিয়াবাত (আবদুর রব সেরনিয়াবাতের ভাইয়ের ছেলে)

জন্ম : বরিশাল, ২৬ মার্চ ১৯৪০ সাল।

বরিশাল বিএম স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, কলেজ থেকে। A. এবং B. A. পাশ ঢাকা থেকে আইন পাশ করার পর তিনি বরিশাল আদালতে আইনজীবী ছিলেন। তিনি দৈনিক বাংলা পত্রিকার বরিশাল প্রতিনিধি ছিলেন। ১৫ আগস্ট মামার বাড়িতে থাকা অবস্থায় তাকে হত্যা করা হয়।

আবদুল নঈম খান রিন্টু (আওয়ামী লীগ নেতা আমীর হোসেন আমুর খালাতো ভাই)

জন্ম : বরিশাল, ১ ডিসেম্বর ১৯৫৭ সাল।

বরিশাল জেলা স্কুলে মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছে মো. তিনি বরিশাল থেকে একটি সাংস্কৃতিক দল নিয়ে ঢাকায় আসেন এবং তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী আবদুর রব সেরনিয়াবাতের বাসায় অবস্থানকালে তাকে হত্যা করা হয়।

সংগ্রহঃ একুশে টিভি

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা, আমাদের মধ্যে অনেকে আছে যারা ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি দেখতে চান। আর সেজন্য তারা ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি লিখে গুগলে সার্চ করে থাকেন। আজকের পোস্টে তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ আমাদের আজকের আর্টিকেল ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ ও ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি এই পর্বে থাকছে ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি। আপনাদের সুবিধার্থে নীচে ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি দেওয়া হল।

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি

১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ভিডিও

অনেক পাঠক বন্ধুরা আছে যারা আর্টিকেল পড়ার পাশাপাশি অনেক সময় সেই বিষয়ে প্রাসঙ্গিক ভিডিও দেখতে পছন্দ করে থাকেন। তাদের সুবিধার্থে আমাদের আজকের আর্টিকেলে এই পর্বে ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ ও ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ভিডিও নিচে দেওয়া হল।

সর্বশেষ কথাঃ ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি

প্রিয় পাঠক বন্ধুরা আমরা ইতিমধ্যে ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩ - ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি ১৫ ই আগস্ট কি দিবস, ১৫ ই আগস্ট ২০২৩ কত তম শোক দিবস, ১৫ই আগস্ট কিভাবে পালন করা হয়, ১৫ ই আগস্ট কে কেন শোক দিবস বলা হয়ে থাকে, ১৫ ই আগস্ট কততম শোক দিবস, ১৫ই আগস্ট এর ঘটনা, ১৫ই আগস্ট ১৯৭৫ সালে কি হয়েছিল, জাতীয় শোক দিবস ২০২৩, ১৫ ই আগস্ট ২০২৩ কততম শোক দিবস, ১৯৭৫ সালে কি হয়েছিল, ১৫ ই আগস্ট এর ঘটনা, জাতীয় শোক দিবস ২০২৩, ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ছবি, ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবস ২০২৩, ১৫ ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের ভিডিও সম্পর্কে আলোচনা করেছি। সম্পর্কে আশা করি আজকের পোস্টটি পড়ে আপনারা জুলাই মাসের সকল তথ্য সম্পর্কে জানতে পেরেছেন।

আগস্ট মাস ২০২৩ সম্পর্কে আরও কোন প্রশ্ন জানার থাকলে অবশ্যই আমাদের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন। আজকের পোস্টটি পড়ে যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে। তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।

এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থেকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

Next Post Previous Post