জাতীয় জনসংখ্যা দিবস - জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কত তারিখে

আপনি কি জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কবে জানতে চাচ্ছেন? আপনি যদি জাতীয় জনসংখ্যা দিবস - জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কত তারিখে জানতে চান তাহলে পুরো পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আজকের পর্বে আমরা আলোকপাত করবো জাতীয় জনসংখ্যা দিবস - জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কত তারিখে পালিত হয়। প্রত্যেক বছরে একটি নির্দিষ্ট দিনে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক জাতীয় জনসংখ্যা দিবস - জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কত তারিখে পালন করা হয়।
জাতীয় জনসংখ্যা দিবস - জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কত তারিখে
প্রিয় পাঠক আপনারা জানেন প্রতিবছর জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। প্রতিবছর নির্দিষ্ট একটি দিনে এই দিবসটি পালন করা হয়। তাই আজকে আমরা আলোচনা করবো জাতীয় জনসংখ্যা দিবস - জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কত তারিখে পালন করা হয় সেই সম্পর্কে। চলুন জেনে নেওয়া যাক জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কত তারিখে পালন করা হয়।

পোস্ট সূচিপত্রঃ জাতীয় জনসংখ্যা দিবস - জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কত তারিখে

জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কোনটি

প্রিয় পাঠক আপনি কি জানেন জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কোনটি কে বলা হয়। জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কোনটি কে বলা হয় জানতে এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। জাতীয় জনসংখ্যা দিবস প্রথম পালিত হয় ১৯৮৭ সালে। তখন বিশ্বের জনসংখ্যা ছিল ৫০০ কোটি। পরবর্তী বছরে ১৯৮৮ সালে ইউনাইটেড নেশনস পপুলেশন ফাউন্ড(ইউ এন এফ পি  এ) এর সভায় প্রতিবছর ১১ জুলাই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। জনসংখ্যা বৃদ্ধি সম্পর্কে জনগণকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির সুপারিশ ক্রমে ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ প্রতিবছর ১১ জুলাই কে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস হিসেবে গ্রহণ করে। মূলত এটি হলো জাতীয় জনসংখ্যা দিবস। বাংলাদেশের জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয় ২ রা ফেব্রুয়ারি। এতক্ষণে অবশ্যই বুঝতে পেরেছেন জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কোনটি।

বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস

আপনি কি জানেন বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কবে পালন করা হয় অথবা বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কি। তাহলে জেনে নিন বাংলাদেশেস জাতীয় জনসংখ্যা দিবস সম্পর্কে। অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। জনসংখ্যা একটি দেশের জন্য সম্পদ।১৯৯০ সালের ১১ জুলাই প্রথমবারের মতো ৯০ টি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। সেইসাথে বাংলাদেশ জাতীয় জনসংখ্যা দিবস ও নানা আয়োজনের মধ্য ধুমধাম করে পালন করা হয়। প্রতি বছরে ২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় জনসংখ্যা দিবস উদযাপন করা হয়। আশাকরি  বুঝতে পেরেছেন বাংলাদেশে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস সম্পর্কে বিস্তারিত।

জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কবে পালিত হয়

অনেকেই জানেনা জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কবে পালিত হয়। তাই আজকে আমরা জানবো জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কবে পালিত হয়। প্রতিবছর ২রা ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। আরো ১৯৯০ সাল থেকে ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়। একটি দেশের জনসংখ্যা সেই দেশের সম্পদ। ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির গভর্নিং কাউন্সিল জনসংখ্যা গুরুত্ব প্রদান ও জরুরি মনোযোগ আকর্ষণ লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই অনুসারে বাংলাদেশ একটি নির্দিষ্ট দিনে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালিত করা হয়। এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কবে পালিত হয়।

জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কত তারিখ

১৯৯০ সালের ১১ জুলাই প্রথমবারের মতো ৯০ টি দেশে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উদযাপিত হয়। তারই ধারাবাহিকতায় নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির গভর্নিং কাউন্সিল জনসংখ্যা ইস্যুতে গুরুত্ব প্রদান ও জরুরী মনোযোগ আকর্ষণের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়।
মূলত বাংলাদেশের জাতীয় জনসংখ্যা দিবস হিসেবে ২ ফেব্রুয়ারি পালন করে থাকে। মূলত ২ ফেব্রুয়ারি দিবসটি জাতীয় জনসংখ্যা দিবস।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস মূল প্রতিপাদ্য কি

অনেকেই জানেনা বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস মূল প্রতিপাদ্য কি। তাই আজকে এই পর্বে আলোচনা করব বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস মূল প্রতিপাদ্য কি। বর্তমানে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস এর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো (অধিকার ও পছন্দই মূল কথা প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার প্রধান্য পেলে কাঙ্খিত জন্মহারে সমাধান মেলে)। অধিকন্তু বৈশ্বিক জনমিতিক পরিবর্তন অপরিবর্তন থাকলেও একটি দেশের ক্ষেত্রে জনসংখ্যা ক্রমবর্ধমান থাকতে পারে। পপুলেশন মোমেন্টাম প্রভাবে সমগ্র প্রজনন হার হ্রাস পেলেও বাড়ন্ত জনগোষ্ঠীর প্রজননকাল বয়সের কারণে। জাতিসংঘ সব মানুষের প্রজনন স্বাস্থ্য ও অধিকার অগ্রাধিকারের তাগিদ দিয়েছে। এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস মূল প্রতিপাদ্য কি।

জাতীয় জনসংখ্যা দিবস - জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কত তারিখে এর শেষ কথা

প্রিয় পাঠক এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন জাতীয় জনসংখ্যা দিবস - জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কত তারিখে পালিত হয়। অন্যান্য দেশের বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে জনসংখ্যা দিবস পালন করে আসছে। বাংলাদেশের জনসংখ্যা দিবস ২ ফেব্রুয়ারি পালন করা হয়। সারাদেশে এই দিনে আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করে থাকে। আপনার যদি জাতীয় জনসংখ্যা দিবস এবং জাতীয় জনসংখ্যা দিবস কত তারিখে এই সম্পর্কে কোন মন্তব্য থেকে থাকে তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। আজকের পর্ব পড়ে উপকৃত হলে অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন। @22882
Next Post Previous Post