জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে

প্রিয় পাঠক আপনি কি জানেন জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে? আপনি যদি জেনে না থাকেন জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে তবে আজকের পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আজকে আমরা আলোকপাত করব জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে। একটি দেশে জনসংখ্যা গণনা করা এবং জনসংখ্যার মাথাপিছু আয় ব্যয়ের হিসাব রাখার জন্য জনসংখ্যা পরিষদ থাকে এবং সেই পরিষদের একজন সভাপতি নির্ধারণ করা হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক বর্তমানে জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে ?
জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে
আমরা সকলেই জানি জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের কাজ কি। প্রত্যেকটি দেশের জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ গঠিত রয়েছে। প্রত্যেকটি দেশের নাই বাংলাদেশ জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ রয়েছে এবং এই পরিষদের কার্যক্রম করতে একজন করে সভাপতির নির্ধারণ করা হয়। আজকে আমরা জানবো বর্তমানে জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে।

পোস্ট সূচিপত্রঃ জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে

জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে

আপনি কি জানেন জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে? আপনি যদি জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে তা জেনে না থাকেন তাহলে আজকের সম্পূর্ন পোস্ট টি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। বর্তমানে জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী যিনি রয়েছেন তিনি মূলত জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতিত্ব পালন করেন।
জাতীয় পরিষদের সভাপতির মেয়াদ পাঁচ বছর থাকে অর্থাৎ একজন প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ যতদিন রয়েছে ততদিন জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। আশা করি বুঝতে পেরেছেন জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস কি এবং কত তারিখে পালন করা হয়

প্রিয় পাঠক আপনি যদি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস কি এবং কত তারিখে পালন করা হয় জেনে না থাকেন তবে অবশ্যই এই পর্বটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। এই পর্ব শেষে খুব সহজেই জানতে পারবেন বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস কি এবং কত তারিখে পালন করা হয়।পারবেন প্রতিবছর ১১ই জুলাই তারিখে পালিত একটি সংবাৎসরিক আয়োজন। যার লক্ষ্য বিশ্ব জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্নের উপরে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা। ১৯৮৭ সালের ১১ জুলাই তারিখে বিশ্ব জনসংখ্যা ৫০০ কোটি পার হয়ে গেলে সারাবিশ্বে গনমানুষের মধ্যে যে আগ্রহের সৃষ্টি হয় তাতে অনুপ্রাণিত হয়ে ১৯৮৯ সালে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা পরিষদের এই দিবসটি প্রতিষ্ঠা করে। বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস এর লক্ষ্য হলো দারিদ্র মাতৃস্বাস্থ্য লৈঙ্গিক সমতা পরিকল্পনা পরিবার এবং মানবাধিকারের মত জনসংখ্যা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
১৯৮৯ সালে রাষ্ট্রপুঞ্জে উন্নয়ন কর্মসূচির তৎকালীন গভর্নিং কাউন্সিল এই দিবসটি পালনের সিদ্ধান্ত নেয়। ১৯৯০ সালে ১১ই জুলাই তারিখ থেকে ৯০ টির বেশি দেশে প্রথম এই দিনটি পালিত হয়। এরপর থেকে সরকার ও সভ্য সমাজের সহযোগিতায় ইউএনএফপিএ জাতীয় অফিসের পাশাপাশি অন্যান্য সংস্থা ও প্রতিষ্ঠান বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করে আসছে। আশা করি বুঝতে পেরেছেন বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস কি এবং কত তারিখে পালন করা হয়।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস কেন পালন করা হয়

আপনি কি জানেন বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস কেন পালন করা হয়? তাহলে জেনে নিন বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস কেন পালন করা হয়।দ্রুত জনসংখ্যা বাড়ছে তার ভালো-মন্দ এবং অন্যান্য দিকগুলো সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে প্রতিবছর ১১ই জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। অতিরিক্ত জনসংখ্যা বৃদ্ধি উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর ফলে নষ্ট হচ্ছে স্থিতিশীলতা পাশাপাশি অবনতি হচ্ছে মহিলাদের স্বাস্থ্য। এ সকল সমস্যা সমাধানের জন্য সবাইকে সচেতন করতেই পালন করা হয় জাতীয় জনসংখ্যা দিবস এর দিনটি।
এক কথায় বলা যায় দ্রুত জনসংখ্যা বাড়ার কারণে তার ভালো-মন্দ এবং অন্যান্য দিকগুলো সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস কেন পালন করা হয়। অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদ গঠিত হয় এবং জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে অর্থাৎ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস এর মূল প্রতিপাদ্য কি

অনেকেই জানেনা বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস এর মূল প্রতিপাদ্য কি। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস এর মূল প্রতিপাদ্য কি। বর্তমানে এই বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস এর মূল প্রতিপাদ্য বা থিম হলো "৮ বিলিয়ন এর বিশ্বঃ সকলের জন্য একটি স্থিতিস্থাপক ভবিষ্যৎ" পৃথিবীতে বর্তমানে ৮ বিলিয়ন মানুষ বাস করছে। কিন্তু সবার সমান অধিকার এবং সুযোগ নেই। বহু মানুষ তাদের লিঙ্গ, ধর্ম, শ্রেণী, জাতী, অক্ষমতা এবং নাগরিকত্বের ওপর ভিত্তি করে বৈষম্য হয়রানি ও হিংসার সম্মুখীন হয়ে থাকেন। অতিরিক্ত জনসংখ্যা অনেক জায়গাতে মানবাধিকারও দুর্বল হয়। মূলত এই বিষয়টি সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস এর মূল প্রতিপাদ্য কি।

জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে এর শেষ কথা

প্রিয় পাঠক এতক্ষণে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে এবং বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস সম্পর্কে। আপনার যদি জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে এবং জাতীয় জনসংখ্যা দিবস সম্পর্কে মন্তব্য থাকে তবে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন। জাতীয় জনসংখ্যা পরিষদের সভাপতি কে এই পর্বটি যদি ভালো লেগে থাকে তবে অবশ্যই বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন। 
Next Post Previous Post