রুটি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন

বন্ধুরা, আজকের পোস্টে রুটি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করবো। রুটি সংরক্ষণযোগ্য খাবর আটা ময়দা এবং পানি দিয়ে সংমিশ্রণে তৈরি করা হয়। রুটি খেলে বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি লাভ পাওয়া যায়। রুটি খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক এর মতো মারাত্মক রোগের আশঙ্কা কমে যায়। রুটি খাওয়ার যেমন আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারিতা আছে তেমনি অপকারিতা ও আছে। তাই রুটি খাওয়ার পূর্বে রুটি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন।

রুটি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে জেনে নিন

বন্ধুরা, আপনারা নিশ্চয়ই আজকের পোস্টে রুটি খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন । তাদের জন্য আজকের এই পোস্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজকে রুটি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো।

রুটি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা 'উপস্থাপনা'

রুটি আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপকারী। এছাড়া রুটিতে রয়েছে  ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই রুটি খেলে হজম শক্তির সহজে হজম ক্ষমতা সহজে বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। আবার শরীরের চাহিদা অনুযায়ী ক্যালরি ঘাটতি পূরণ করে থাকে। আসুন তাহলে জেনে নেয়া যাক, রুটি খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে।

রুটি খাওয়ার ৮টি উপকারিতা

ফ্যাট ও চর্বি কমাতে

আপনি কি আপনার শরীর খাবারের মাধ্যমে ফিট রাখতে চান। তাহলে গমের আটার তৈরি রুটি আপনার জন্য। গম থেকে তৈরি আটার সবচেয়ে বড় গুণ হলো এতে কোনো ফ্যাট থাকে না। তাই আটার রুটি আমাদের শরীরে ফ্যাট ও চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

রক্তে সুগারের মাত্রা ঠিক রাখতে

তাছাড়া আটাতে লাইসেমিক ইন্ডেক্স নামক এক প্রকার উপাদান কম থাকার জন্য আটার রুটি খেলে আমাদের রক্তে সুগারের মাত্রা ঠিক থাকে। ফলে শরীর সুস্থ রাখতে সাহায্য করে ।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ

আটা সুগারের পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারী। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আটার রুটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ । শরীরকে ফিট রাখার জন্য ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখার জন্য নিয়মিত রুটি খেতে পারেন।

ওজন কমাতে

আটার রুটিতে ক্যালরির পরিমাণ খুবই কম থাকে। আটার রুটিতে কোন ফ্যাট থাকে না। এবং আটার রুটি খেলে শরীরে ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাই যারা ওজন কমাতে চান তারা নিয়মিত রুটি খেতে পারেন।

হজম শক্তি বাড়াতে 

টাটকা রুটির থেকে বাসি রুটি শরীরের জন্নে অধিক বেশি উপকরী। কারণ আটার রুটিতে থাকা ফাইবার হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে খাবার সহজে হজম হয়।

স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়

আটার রুটি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে এর থেকে সহজে নিরাময় করার জন্য বাসি রুটির ভূমিকা অনেক বেশি। কারণ বাসি রুটিতে উচ্চ মাত্রার ফাইবার থাকে। যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং রক্ত সহজে চলাচল করতে পারে। ফলে বাসি রুটি খেলে স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক কমে যায়।

ক্যালরির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ

রুটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালরি। সকালে রুটি খেলে এনার্জি পরিমাণ বৃদ্ধি পায় কারণ কার্বোহাইড্রেট এর ঘাটতি সমস্যা দূর করে। শরীরকে সহজে ক্লান্তির হাত থেকে রক্ষা করে। এমনকি মন-মেজাজ চাঙ্গা রাখতে  বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ফলে ক্যালরির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

রুটিতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। এবং শরীর সুস্থ রাখতে বেশ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। রুটি খাওয়ার কারণে শরীরে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। ফলে শরীর সুস্থ থাকে।

রুটি খাওয়ার নিয়ম

আমাদের রাতে ২-৩ টির বেশি আটা রুটি খাওয়া উচিত নয়। রুটি বেশি খেলে শারীরিক সমস্যা হতে পারে। আটা রুটি হজম করার ক্ষমতা সকলের থাকে না। তাই যাদের এধরণের সমস্যা রয়েছে তারা রুটি খাওয়ার ব্যপারে নিজেকে সতর্ক থাকতে হবে। রোজ রাতে রুটি খেলে অনেকের মানসিক সমস্যার অবগতি বেড়ে যেতে পারে।

রুটি খাওয়ার অপকারিতা

  • আটার রুটি সকল মানুষের সমানভাবে হজম করতে পারে না। যে সমস্ত মানুষের শরীরে রুটি হজম করার ক্ষমতা কম থাকে।তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে। এমনকি উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা দেখা দিতে পারে।এবং শরীরের গ্যাসের সমস্যা হতে পারে।
  • রাতে রুটি খেলে ত্বক কুঁচকে যেতে পারে। ত্বকে বলিরেখা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া মাথার চুল পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে আমেরিকান জার্নাল অব নিউট্রিশনের তথ্য অনুসারে রাতে রুটি খেলে মানসিক হতাশা দেখা দিতে পারে।

    সর্বশেষ কথা

    প্রিয় বন্ধুরা, আপনাদের নিশ্চয়ই বোঝাতে পেরেছি রুটি খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা সম্পর্কে। এরকম আরো পোস্ট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটের সঙ্গে থেকে ফলো করুন। এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থেকে পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
    Next Post Previous Post