OrdinaryITPostAd

ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত

ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত - আসসালামু আলাইকুম। সর্বপ্রথম আমাদের ওয়েবসাইটে আসার জন্য আপনাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আজকের পোস্টটি আপনারা জানতে চেয়েছেন ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত। বর্তমান ডিজিটাল স্মার্ট ফোনের যুগ। আজকাল সকল যুবকেরা এই স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকে। সারাদিন স্মার্টফোন বা মোবাইল ব্যবহার করার পরেও তারা মোবাইল নিয়ে কাজ করতে করতে ঘুমিয়ে পড়ে। মোবাইল নিয়ে ঘুমিয়ে পড়ার কারণে আমাদের মস্তিষ্কে মোবাইল ডিভাইসের নানা ধরনের তরঙ্গের কারণে ক্ষতি হয়ে থাকে। এর ফলে আমরা বিভিন্ন বিষন্নতায় ভুগে থাকি। অনেকে আছে যারা ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত সেই সম্পর্কে জানে না। আজকে তাদের জন্য আমাদের এই পোস্ট ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত বিস্তারিতভাবে সকল তথ্য আলোচনা করা হলো।

আমাদের মধ্যে অনেকে আছে যারা মোবাইল ছাড়া কোন সময় কাটাতে পারেন। বর্তমানে বেশিরভাগ যুবকেরাই মোবাইল ছাড়া চলতে পারে না। এমন অনেকেই আছে যারা ঘুমানোর সময় মোবাইল কাছে রেখে ঘুমায়। বর্তমানে অনেক যুবকেরা গান শুনতে শুনতে অথবা মোবাইলে গেমিং খেলতে খেলতে ঘুমিয়ে পড়ে। এর কারনে আমাদের ক্ষতি হয়ে থাকে। আর তাই এই সমস্যা থেকে আজকে আমি আপনাদের সাথে আলোচনা করতে চলেছি ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত।

ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত উপস্থাপনা

ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত উপস্থাপনাঃ বর্তমানে মোবাইল আমাদের দৈনন্দিন জীবনে সাথে প্রয়োজনের তাগিদে মোবাইলের ব্যবহার বেড়ে গেছে। আর তাই মোবাইল ছাড়া আমাদের জীবন বলতে গেলে অচল হয়ে পড়েছে।

সকালবেলা ঘুম থেকে ওঠা থেকে শুরু করে রাতে ঘুমানো পর্যন্ত মোবাইল এখন মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী। কিন্তু আপনি জানেন কি সার্বক্ষণ মোবাইল ফোন ব্যবহার করার কারণে আপনার শরীরে কি ক্ষতি হয়।

সেজন্য মোবাইলের ব্যবহার সম্পর্কে আমাদের জানাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই আমি আজকে আপনাদের সাথে ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত বিস্তারিতভাবে সকল তথ্য নিয়ে আজকের পোস্টটি সাজিয়েছি। তাহলে বন্ধুরা কথা না বাড়িয়ে ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত জেনে নিন।

মোবাইল মাথার কাছে রেখে ঘুমানো কতটা ঝুঁকিপূর্ণ ? 

বর্তমানে গবেষণা দেখা গেছে, মোবাইল ফোনের প্রতি আসক্ত হওয়ার কারণে আমরা ধীরে ধীরে ক্যান্সারের দিকে ঝুকে পড়ছি। এর মধ্যে সবচাইতে বেশি দেখা গেছে যারা মাথার কাছে ফোন রেখে ঘুমায় তাদের আয়ু চোখে পড়ার মতো কমেছে এর পেছনে মূল হল ফোনের রেডিয়েশন। অনেক গবেষণায় দেখা গেছে যে মোবাইল ফোন সারাদিন ব্যবহার করার পরে রাত্রিবেলা ঘুমানোর সময় ফোন মাথার কাছে রেখে ঘুমায়। মোবাইল ফোনের ব্যাটারি অত্যন্ত বিপদজনক। এতে মানুষের প্রাণঘাতী হতে পারে।

কারণ একটি মোবাইলের ব্যাটারিতে থাকে থিলিয়াম আয়রন। এই ব্যাটারি থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় প্রায় ১০০ টি গ্যাস নির্গত হয়। যা মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই ব্যাটারির মধ্যে রয়েছে কার্বন মনোক্সাইডের বিষাক্ত গ্যাস। এই গ্যাস মানুষের শরীরে অতিরিক্ত মাত্রায় প্রবেশ করলে একটি মানুষের মৃত্যু পর্যন্ত ঘটাতে পারে।

রাতে ঘুমানোর সময় যারা মোবাইল ফোন মাথার কাছে বালিশের নিচে রেখে ঘুমায় মোবাইল ফোনের প্রভাবে শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয় এটা মানুষ সাধারণত বুঝতে পারে না। এটা আস্তে আস্তে মানুষের শরীরে প্রকোপ হয়ে বড় আকার ধারণ করে। এবং মরণব্যাধি ক্যান্সারের রূপান্তরিত করে। আর তাই আমরা যারা মোবাইল ব্যবহারকারী আছি তাদের অবশ্যই মোবাইল ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন হওয়া প্রয়োজন আছে। মোবাইল ফোনের ব্যাটারি থেকে বেরিয়ে আসা নির্গত গ্যাসের প্রভাবের চোখ, নাক, গলা জ্বলার মত সমস্যায় ভুগতে পারেন।

আমাদের মধ্যে অনেকে আছে যারা মোবাইল চার্জে রেখে ব্যবহার করে। আবার অনেকে আছে যারা মোবাইল মাথার কাছে চার্জে রেখে ঘুমিয়ে পড়ে। গবেষকের পরামর্শ অনুযায়ী রাতে ঘুমানোর সময় মোবাইল ফোন চার্জ দিলে মাথা থেকে অনেক দূরে রাখার চেষ্টা করুন।

অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, আমরা যখন মোবাইল ব্যবহার করি মোবাইল প্রসেসরে অতিরিক্ত চাপ পড়ার কারণে মোবাইল খুব অল্প সময়ে অনেক গরম হয়ে যায়। গরম হওয়ার কারণে ব্যাটারি দিয়ে নির্গত গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়ে থাকে। যা আমরা সচরাচর খালি চোখে দেখতে পাই না। এটা আস্তে আস্তে আমাদের শরীরের ভিতরে প্রবেশ করে এবং বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। সবচেয়ে বড় কথা হলো মোবাইল ফোন যখন গরম হয় তখন মোবাইল ফোন ব্যবহার হতে বিরত থাকা উচিত। কারণ মোবাইলে ব্যাটারি অতিরিক্ত গরম হওয়ার কারণে বাষ্ট হয়ে ধ্বংসত্বরূপ সৃষ্টি করতে পারে।

মোবাইল ব্যবহার হতে যেভাবে মুক্তি পাবেন

মোবাইল মাথা বাম মস্তিষ্ক থেকে দূরে রাখাঃ আমাদের মধ্যে অনেক মানষ রাতে ঘুমানোর আগে বালিশের নিচে মোবাইল ফোন হাতে নাগালে রাখতে পছন্দ করেন। কিন্তু আপনি কিভাবে অভ্যাসটি থেকে বিরত থাকবেন। তবে সবচাইতে ভালো যেটি সেটা হল ঘুমানোর আগে মোবাইল ফোনটি বালিশের পাশে কিংবা বিছানার ওপর না রেখে কিছু হাত দূরে রেখে দিতে হবে। এর ফলে ফোনের রেডিয়েশন থেকে ঘুম নষ্ট হবে না। যখন এলাম বাজবে তখন আপনাকে উঠে গিয়ে ফোন বন্ধ করতে হবে।

টাইম মেইনটেন্স করে মোবাইল ব্যবহার করাঃ আমাদের মধ্যে অনেকে আছে যারা ফেসবুক চালাতে অনেক প্রশ্ন করেন। ফেসবুক যেন তাদের না হলে চলে না। এরকম কিছু ফেসবুক প্রেমিক মানুষরা এসে যারা ফেসবুক চালাতে চালাতে ঘুমিয়ে পড়েন। অনেক বিশেষজ্ঞদের মধ্যে দেখা গেছে, যে ঘুমানোর জন্য মোবাইল কাছে রাখা ভালো নয়। এতে করে মানসিক চাপ বাড়তে থাকে। মানুষ আস্তে আস্তে মৃত্যুর দিকে ঝুঁকে পরে। তাই আপনাকে নিয়ম পাল্টাতে হবে। টাইম মেইনটেইন করে মোবাইল ব্যবহার করতে হবে।

ব্লুটুথ ব্যবহার করাঃ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো অনেক মানুষ গান শুনতে পছন্দ করেন। অনেকেই ব্লুটুথ ব্যবহার করে গান শুনতে পছন্দ করেন। রাতের বেলা গান শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে যান। আপনি ফোন থেকে ব্লুটুথ কানেকশন দিয়ে মোবাইল দূরে রেখে গান শুনতে পারেন।

মোবাইল ব্যবহারের তালিকা তৈরি করাঃ আপনি মোবাইল ফোন ব্যবহার করার জন্য একটি তালিকা তৈরি করুন। কোন সময়ে কিভাবে কতক্ষণ মোবাইল চালাবেন তার নির্দিষ্ট একটি সময় নির্ধারণ করুন। তাহলে আপনার এ সকল সমস্যা হতে আরোগ্য লাভ করবেন।

নেট অফ করে দিনঃ অনেকে আছে যারা ঘুমাতে যাওয়ার আধা ঘন্টা পূর্বে মোবাইলের সকল নেট অফ করে দিন। কারণ নেট অন থাকলে নোটিফিকেশন আসবে ফলে বরাবর মোবাইলের হাতে নিতে মন চাইবে। কখনো কখনো নোটিফিকেশনের আওয়াজে ঘুম ভেঙ্গে যেতে পারে। ফলে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।

ঘুমের পূর্বে মোবাইল ব্যবহার না করাঃ অন্তত ঘুমাতে যাওয়ার আধা ঘন্টা পরে মোবাইল ব্যবহার হতে বন্ধ থাকুন। চেষ্টা করবেন যাতে ঘুমানোর সময় সকল ডিজিটাল পর্দা থেকে দূরে থাকবে ভালো ঘুমের শত্রু ডিজিটাল পর্দা।

ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত

আজকের পোস্টে উপরে আমরা জেনেছি মোবাইল মাথার কাছে রেখে ঘুমানো কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, মোবাইল ব্যবহার হতে যেভাবে মুক্তি পাবেন। পাঠক, আপনারা জানতে চেয়েছেন ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত। তাহলে কথা না বাড়িয়ে জেনে নেয়া যাক, ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত।

ঘুমানোর সময় মোবাইল কমপক্ষে ও মাথা থেকে ৬ ফুট দূরত্বে মোবাইল রাখা উচিত। এতে করে মোবাইলের রেডিয়েন্সের সমস্যা থেকে অনেক কম ক্ষতি হয়। সবচাইতে ভালো হয় এটাই মোবাইল ফোন এরোপ্লেন মোডে রাখা। কারণ মোবাইলের নেট কানেকশন অন থাকলে নেটের রেডিয়েন্সের কারণে আমাদের অনেক সমস্যা দেখা দেয়। তাই আমরা যারা মোবাইল ব্যবহার করি তাদের উচিত মোবাইল ব্যবহার সম্পর্কে।

সর্বশেষ কথা - ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত

প্রিয় আর্টিকেল পাঠক, যারা আজকের পোস্টটি পড়েছেন তারা ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত এ সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। আপনারা অনেকেই ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত লিখে গুগলে সার্চ করে প্রশ্ন করে থাকেন।

আশা করি আপনারা জানতে পেরেছেন মোবাইল মাথার কাছে রেখে ঘুমালে কতটা ঝাকিপূর্ণ, মোবাইল ব্যবহার হতে যেভাবে মুক্তি পাওয়া যায়, ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত ইত্যাদি সকল প্রশ্নের উত্তর আমরা আজকের পোস্টে আপনাদের জানিয়েছি। আশা করি আজকের পোস্টটি পড়ে আপনার অনেক উপকৃত হয়েছেন এবং জানতে পেরেছেন ঘুমানোর সময় মোবাইল কতটুকু দূরে রাখা উচিত।

এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থেকে শেষ পর্যন্ত পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। এরকম আরো পোস্ট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

অর্ডিনারি আইটির নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url