কিভাবে একটি Google AMP ব্লগার তৈরি করবেন

কিভাবে একটি Google AMP ব্লগার তৈরি করবেন - বর্তমান বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য অগ্রাধিকার প্রদান করেছেন। বাংলাদেশে অনেক ফ্রিল্যান্সার আছে যারা Google AMP ব্লগার তৈরি করে ইনকাম করে থাকে। বর্তমান সময়ে জগতের সারা জাগানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ টপিক হলো Google AMP ব্লগার। তাই আপনাদের জন্য জনপ্রিয় এই বিষয়ে Google AMP ব্লগার নিয়ে আজকের আর্টিকেলটি লিখলাম। আপনি যদি কিভাবে একটি Google AMP ব্লগার তৈরি করবেন এই প্রশ্ন নিয়ে চিন্তিত থাকেন। তাহলে আপনি আজকের এই পোস্টটি শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়বেন। তাহলে আপনি কিভাবে একটি Google AMP ব্লগার তৈরি করবেন তা জানতে পারবেন। যাইহোক, চলুন দেরি না করে কিভাবে একটি Google AMP ব্লগার তৈরি করবেন তা জেনে নিন।

কিভাবে একটি Google AMP ব্লগার তৈরি করবেন

আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় কিভাবে একটি Google AMP ব্লগার তৈরি করবেন যারা শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়বেন তারা জানতে পারবেন। এএমপি কি? কেন এএমপি ব্যবহার করবেন? এএমপি কিভাবে কাজ করে? এএমপি সুবিধা কি, এএমপি অসুবিধা গুলো কি, এ এম পি এর সীমাবদ্ধতা, কিভাবে ব্লগস্পট গুগল AMP যুক্ত করবেন? এএমপি টুলস এর ব্যবহার সম্পর্কে এটি কিভাবে ব্যবহার করা যাবে। এ সকল প্রশ্নের উত্তর দেয়ার পাশাপাশি এএমপি টপিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

এএমপি কি?

এএমপি কিঃ AMP এর পূর্ণর অ্যাক্সিলারেটেড মোবাইল পেজ। অর্থাৎ এএমপি মোবাইল ওয়েবসাইট আপনার ভিজিটরদের আরো দ্রুতগতি অ্যাক্সিলারেটেড করে দেয়। আপনি যদি একজন ব্লগার হন। তাহলে আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়াতে চান এবং মোবাইল ফ্রেন্ডলি করতে চান। যা আপনার মোবাইল ডিভাইস থেকে ভিজিট করার সময় AMP আনার ব্লগে অপটিমাইজ করে স্পিড ৭০ থেকে ৮০ গুন বৃদ্ধি করে। মোবাইল ডিভাইস অন্য কোন ডিভাইস কাজ করে বিধায় তাই বলা হয় মোবাইল ও পিসি এবং ল্যাপটপ দ্রুত লোড করে ওয়েব স্ক্রিনে দেখা যায় এমপি সমন্বয়ের মাধ্যমে। AMP একটি ওয়েব কম্পোনেন্ট ফ্রেমওয়ার্ক যা সহজে ওয়েব এর জন্য ব্যবহার করা যায়।

AMP HTML গুগল কোম্পানি কর্তৃক সমর্থিত একটি ওপেন সোর্স প্রজেক্ট। গুগল এমপি আপনার ওয়েবসাইট একটিভ করার ফলে যা একটি ওয়েবসাইটের কনটেন্টকে যে কোন স্মার্টফোন ও পিসি বা ল্যাপটপ বা ট্যাবি অনায়াসের দুটো লোড নিতে সাহায্য করে। আর ভালোভাবে বলা যায়। একটি ডিভাইসে এমপি যেকোন ওয়েবসাইটকে একটি দ্রুত লোড নিতে সক্ষম করে। 

আশা করি, এই এএমপি কি তা উপরে পোস্টটি পড়ে জানতে পেরেছেন। এখন আমরা জানবো কেন এএমপি ব্যবহার করবেন।

কেন এএমপি ব্যবহার করবেন?

কেন এএমপি ব্যবহার করবেনঃ আপনার ওয়েবসাইটে AMP করার ফলে আপনার ওয়েবসাইটের মোবাইল ডিভাইজে এইচটিএমএল স্ট্যান্ডার্ড স্টার চাইতে ভালো দেখাবে। কারণ আপনার ওয়েবসাইটের পেজটি দেখতে অনেক সুন্দর ও গুড লুকিং আসবে। আপনার ওয়েবসাইটে এই এমপি ব্যবহার করার ফলে ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত মাধ্যম এটি ব্রাউজিং আরো দ্রুতগতি সম্পন্ন পেজ দেখাতে সাহায্য করে। এর ফলে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে। কারণ একটি ওয়েবসাইটের গতি ওয়েবসাইট এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে থাকে। আর তাই আপনি এএমপি ব্যবহার করার ফলে স্বাচ্ছন্দ্যে এ সুযোগটি পেয়ে যাবেন।

গুগলের পরিভাষায় এএমপি ব্যবহার করার মাধ্যমে আপনার মোবাইলের ওয়েব পারফরম্যান্স বৃদ্ধি পাবে। যা আপনার ওয়েবসাইটের জন্য সুখবর। পৃথিবীতে প্রায় ৫৩% মানুষ তার শখের স্মার্টফোন দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ওয়েবসাইটের যোগাযোগ করতে অভ্যস্ত। আর তাই গুগল চাই অনেক বড় বড় ওয়েবপেজ সময়ের মধ্যে লোড হয়ে মোবাইলের স্ক্রিনে ভেসে আসুক। কারণ google আশা করে গ্রাহকের সন্তুষ্টি।

আশা করি, কেন এএমপি ব্যবহার করবেন তা নিয়ে যে সকল প্রশ্ন আপনাদের মনে ছিল তা জানতে পেরেছেন। এখন আমরা জানবো এএমপি কিভাবে কাজ করে।

এএমপি কিভাবে কাজ করে?

এএমপি কিভাবে কাজ করেঃ এইচটিএমএল, জাভাস্ক্রিপ্ট, ওয়েবক্যাশে এএমপি সাধারণত তিনটি অংশের সমন্বয়ে কাজ করে থাকে। প্রোগ্রাম ক্ষেত্রে যত ধরনের কোডিং থাকুক না কেন মোবাইল থেকে ওয়েবসাইট ভিজিট করার সময় এএমপির কাজ পুরো ওয়েবসাইটটি যে সমস্ত কোড সাপোর্ট না করে সরাসরি এমপি html ভার্সন তৈরি করে নেয়। শুধুমাত্র প্রয়োজনে অংশগুলো রেখে ওয়েব ক্যাশ প্রক্রিয়া পুরো ও ওয়েবসাইটকে আরো দ্রুত গতি সম্পন্ন করে তোলে। ওয়ার্ড ডকে এএমপি কার সঙ্গে ভাবে আপনার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটটি অ্যাক্সিলারেটেড মোবাইল পেজ গুগল এএমপি প্রজেক্ট কার্যকারিতা যোগ করে দেয়া সহজ করে।

ছবিটি দেখুন, ওয়েবসাইটে বা ব্লগে গুগলে এএমপি কাজ করার পর গুগল সার্চ ইঞ্জিন আলাদাভাবে সনাক্ত করে। আর এই আইকন যুক্ত পোস্ট গুলো মোবাইলে অনেক বেশি লোড করে।

আশা করি, এএমপি কিভাবে কাজ করে তা জানতে পেরেছেন। এখন আমরা জানবো এএমপি এর সুবিধা কি।

এএমপি সুবিধা কি?

এএমপি সুবিধা কিঃ আমাদের মধ্যে অনেকে আছে যারা google এ সার্চ করে থাকে এমপি এর সুবিধা কি এই সম্পর্কে লিখে। আজকে আমি তাদের সুবিধার্থে নিচে এএমপি সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো।

  • একটি ওয়েবসাইট দ্রুতগতির সাথে লোড হওয়ার ফলে ট্রাফিক বা গ্রাহকের মোবাইল দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন ওয়েবসাইটে সহজে ব্যবহার করতে পারে বলে প্রথম পছন্দ।
  • একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটের স্পিড এবং এএমপি দুটি গুগল রাঙ্কিং ফ্যাক্টর বিধায় এসইও এর ক্ষেত্রে এএনপি ব্লক অনাকাংশে অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে।
  • ব্লগে অর্গানিক ট্রাফিক গ্রো হবে আপনার ব্লগে আরও গতি বৃদ্ধি পাবে।
  • ব্লগ বা ওয়েবসাইট ভাইন্স রেট কম এর সাথে রাঙ্কিং গতিবৃদ্ধি পাবে।
  • এএমপি ও ওয়েবসাইট এর সম্পর্ক ভালো বিদায় আলাদা করে ফলে অপটিমাইজ করার প্রয়োজন হয় না।
  • গুগল কোম্পানি সার্চ ইঞ্জিনে খুব দ্রুততার সাথে ইনডেক্স করতে সক্ষম করে।
  • লোডিং এর স্পিড এর দিক থেকে আপনি বেশি সুবিধা পাবেন তা কিন্তু নয় আপনি আরো অনেক দিক দিয়ে বেশি পরিমাণে সুবিধা পাবেন।
  • বাউন্সরেটের পরিমাণ বেশি হয়ে থাকে।
  • ওয়েবসাইট বা ব্লক মোবাইল ফ্রেন্ডলি হিসেবে কাজ করে থাকে। তাই সাইটগুলো সার্চ ইঞ্জিনে গুগল বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকে।
আশা করি, এএমপি সুবিধাকে সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। এখন আমরা জানবো এএমপি অসুবিধা গুলো কি।

এএমপি অসুবিধা গুলো কি

এএমপি অসুবিধা গুলো কিঃ আমাদের মধ্যে অনেকে আছেন যারা এমপির অসুবিধা সম্পর্কে জানতে চান। তাদের সুবিধার্থে নিচে এএমপির অসুবিধা গুলো দেওয়া হল।

  • ইনকামের পরিমাণ কমে যেতে পারে।
  • ব্লগের সাথে যুক্ত ডিফল্ট Scripts or widgets ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • কমেন্ট ফরমটি ব্যবহার করতে পারবেন না।
  • ৬০০ পিক্সেলের অধিক লোড নেবে না।
  • শুধুমাত্র গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন ছাড়া সাপোর্ট করে না।

এএমপি এর সীমাবন্ধতা

এএমপি এর সীমাবন্ধতাঃ আপনি অন্য কোন থার্ড পার্টির স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করতে পারবেন না। ফন্ট ট্রিগারি অবশ্যই ভালো হতে হবে। মিনিমাম ওয়েবরিসোর্স লোডিং করে। সব রিসোর্স এর সাইজ statically হয়ে থাকে। সব সিএসএস ইন-লাইন এর রাখাসহ আকারে ৫০ হাজার বাইটের মধ্যে থাকতে হবে।

কিভাবে ব্লগস্পট গুগল AMP যুক্ত করবেন?

কিভাবে ব্লগস্পট গুগল AMP যুক্ত করবেনঃ আপনি যদি ব্লক পোস্টে এমপির যুক্ত করতে চান তাহলে প্রথমে আপনাকে অবশ্যই এইচটিএমএল এবং টিএসএস বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে। সিএসএস জানা থাকলেও আপনাকে এইচটিএমএল খুবই ভালোভাবে জানা জরুরী। কারণ আপনার দক্ষতা থাকলে আপনি খুব সহজে আপনার ওয়েবসাইট বা ব্লগে এএমপি যুক্ত করতে পারবেন। ব্লক পোস্ট করার জন্য আপনার ব্লগ থিমটি অবশ্যই সাপোর্টেড হতে হবে। আপনার ব্লগে থিম এএমপি সাপোর্ট না করলে ব্লক পোস্টে এএমপি যুক্ত করে লাভ হবে না। আপনি চাইলে ভাল মানের থিম অনলাইন থেকে পেতে পারেন সেগুলো ডাউনলোড করে ইন্সটল করে নিতে পারেন। ব্লক পোস্টে এএমপি করার জন্য পোস্ট এর ভিতর বিভিন্ন ট্যাগ, ইমেজ, ভিডিও এবং এডসেন্স কোড পরিবর্তন করতে হয়।

আশা করি, কিভাবে একটি Google AMP ব্লগার তৈরি করবেন তা জানতে পেরেছেন। এখন আমরা জানবো এএমপি টুলস এর ব্যবহার।

এএমপি টুলসের ব্যবহার

এএমপি টুলসের ব্যবহারঃ আপনি যদি এমপি ব্যায়ার করতে চান তাহলে এই লিংকে চাপ দিন। আপনি যদি চান তাহলে এএমপি পৃষ্ঠাটি বিশ্লেষণ করতে তাহলে আপনার ব্লগে যে কোন পৃষ্ঠা যোগ করতে পারবেন। এছাড়া মার্কেট পাশাপাশি যেকোনো স্টাবচার্ড ডাটা পরীক্ষা করতে হবে। এইতো ওয়েব পেজের সাধারণ এএমপি ত্রুটি খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রে আরও সহজ করে তুলবে যে কোডটি এমপি ত্রুটি ঘটাতে তা দেখাতে সহায়তা প্রদান এএমপি পরিচালনা অন্যতম ব্যবহার। আপনার গুগল অনুসন্ধানের ফলাফল প্রদর্শন করবে। এএমপি টেস্টং টুলস।

সর্বশেষ কথাঃ কিভাবে একটি Google AMP ব্লগার তৈরি করবেন

প্রিয় পাঠক বন্ধু, আপনারা যারা গুগলে এএমপি কি? কেন এএমপি ব্যবহার করবেন? এএমপি কিভাবে কাজ করে? এএমপি সুবিধা কি, এএমপি অসুবিধা গুলো কি, এ এম পি এর সীমাবদ্ধতা, কিভাবে ব্লগস্পট গুগল AMP যুক্ত করবেন? এএমপি টুলস এর ব্যবহার এ সকল প্রশ্ন করেছেন তাদের সকল প্রশ্নের উত্তর আজকে উপরে পোস্টে আমরা জানিয়েছি। আশা করি আজকের পোস্টটি পড়ে আপনার অনেক অপেক্ষায় হয়েছেন এবং জানতে পেরেছেন  কিভাবে একটি Google AMP ব্লগার তৈরি করবেন।

আপনি যদি একজন ওয়েব ডেভেলপার হয়ে থাকেন তাহলে খুব সহজেই আপনার ওয়েবসাইটে গুগলে এমপি ব্যবহার করতে পারবেন। আর যদি ওয়েব ডেভলপারের ব্যাপারে কম জানা থাকে। তাহলে আপনার জন্য এটি একটি সমস্যা হতে পারে। তবে আপনাদের বোঝার স্বার্থে অনেক আজকের কিভাবে একটি Google AMP ব্লগার তৈরি করবেন পোস্টটি লিখেছি।

আশা করি, আজকের পোস্টটি শুরুতে শেষ পর্যন্ত মনোযোগ সহকারে পড়লে সকল তথ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। এবং আপনি খুব সহজে আপনার ওয়েবসাইটে বা ব্লগে Google AMP যুক্ত করতে পারবেন।

এতক্ষণ আমাদের সঙ্গে থেকে শেষ পর্যন্ত পোস্ট পড়ার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। এরকম আরো পোস্ট পেতে আমাদের ওয়েবসাইটটি ফলো করুন।

Next Post Previous Post